বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

লক্ষ্মীপুরে বজ্রপাতে শিশুর মৃত্যু

তছলিমুর রহমান, লক্ষ্মীপুর 

প্রকাশিত:
১২ জুন ২০২৩, ১৭:৫৭

 
লক্ষ্মীপুরে বজ্রপাতে নাঈম (১২) নামে এক শিশু শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় মো. রাসেল (১৫) নামে আরো এক শিশু আহত হয়। সোমবার বিকেল লক্ষ্মীপুর শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর মৃতদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নাঈম সিরাজগঞ্জ জেলার আব্দুল আলিমের ছেলে। বর্তমানে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আবিরনগর গ্রামের নানা মো. সিরাজের বাড়িতে বসবাস করতো ।
জানা যায়, পৌর শহরের দক্ষিণ তেমুহনীতে মো. রিয়াজের কাঠের ফার্নিসার দোকানে কাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হয় নাঈম।  
ফার্নিসার দোকানের মালিক মো. রিয়াজ বলেন, নাঈম ও রাসেল তার ফার্নিসার দোকানে কাজ করে। সোমবার দুপুরে ভারি বৃষ্টিপাত হয়, সেই সঙ্গে বজ্রপাতও হয়। এ সময় তিনিসহ রাসেল ও নাঈম তার দোকানে ছিলেন। হঠাৎ একটি বজ্রপাত হলে নাঈম গুরুতর আহত হয়। সাথে সাথেই তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বজ্রপাতে অন্য কর্মচারী রাসেল কিছুটা আহত হয়।  
নাঈমের নানা মো. সিরাজ জানান, নাঈমের বাবা আবদুল আলিম এর বাড়ি সিরাজগঞ্জে। কিন্তু তার বাবার সঙ্গে মা নাছিমার ছাড়াছাড়ি হয়। পরে নাছিমার সঙ্গে জাহাঙ্গীর নামে একজনের বিয়ে হয়েছে। নাঈম তাদের দুই জনের সঙ্গে আমার বাড়িতেই থাকতো। সে মাদরাসায় ৫ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে পাশাপাশি ৩-৪ মাস ধরে ফার্নিসার দোকানে কাজ শিখতে যায়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই নাঈমের মৃত্যু হয়েছে।  
শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর