প্রকাশিত:
৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৮
দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনার পর এই নাটকীয় মোড় নিলো পরিস্থিতি।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বিচারপতি রেজাউল হাসান তাঁর বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোম্পানি মামলার রায়ে পক্ষপাতিত্ব করেছেন। বিশেষ করে, একটি রায়ে সিনিয়র আইনজীবীর নাম ব্যবহার করে ভুয়া যুক্তিতর্ক সাজানোর মতো গুরুতর তথ্য উঠে এসেছে। অন্য একটি মামলায় এক ব্যক্তির স্ত্রীর বিপুল পরিমাণ শেয়ার আইনি প্রক্রিয়া না মেনেই বাতিল করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আবেদনকারী মজিবুল হক দাবি করেছিলেন, সংবিধান অনুযায়ী তদন্তের মাধ্যমে যেন এই বিচারপতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিচারপতির এই পদত্যাগ বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কার্যক্রম শুরুর আগেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার মাধ্যমে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এড়ালেন কি না, তা নিয়ে আদালত পাড়ায় আলোচনা চলছে। তবে এই ঘটনা দেশের উচ্চ আদালতে বিচারকদের নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নটিকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে।
মন্তব্য করুন: