প্রকাশিত:
৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ লেগেছে দেশের তেলের বাজারে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন আর জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার। অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা অথবা বাসা থেকে কাজ (Home Office) করার পদ্ধতি চালুর বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকেই মিলতে পারে এর চূড়ান্ত সমাধান।
সরকার কেবল অফিস নয়, নজর দিচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপরও। পরিবহন খাতে তেলের ব্যবহার কমাতে বড় শহরগুলোর স্কুল-কলেজে আবারও অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো—বিদ্যমান জ্বালানি মজুত দিয়ে কত বেশিদিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যেই ডিসি ও ইউএনওদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ১১টি কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে—অফিস কক্ষে সকাল ৯টা থেকে অবস্থান নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনে লাইট, ফ্যান ও এসি বন্ধ রাখা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কৃচ্ছ্রসাধনই একমাত্র পথ। সাধারণ মানুষও আশা করছেন, অফিসের সময়সূচি বা হোম অফিসের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত এলে রাস্তায় গাড়ির চাপ কমবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হবে। তবে এই সিদ্ধান্তগুলো স্থায়ী হবে নাকি সাময়িক, তা নির্ভর করছে আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপর।
মন্তব্য করুন: