শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

‘হক’ ও ‘ইনসাফ’-এর রাজনীতি: জামায়াতের নতুন বার্তা নিয়ে শফিকুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০২

নির্বাচনী প্রচারে ভিন্ন বার্তা ও নতুন বয়ান নিয়ে মাঠে নেমেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর বক্তৃতায় উন্নয়ন ও ক্ষমতার প্রতিশ্রুতির বদলে গুরুত্ব পাচ্ছে নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়।

প্রায় প্রতিটি জনসভায় তিনি জনগণকে গণভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁর মতে, দেশের রাজনৈতিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ‘হক’ ও ‘ইনসাফ’ শব্দ দুটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এই শব্দ দুটি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা সফর করে ৬২টির বেশি জনসভায় অংশ নেন। এসব সভায় তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরেন।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি তরুণ সমাজকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকেও এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তুলবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, জামায়াত নিজেদের একটি ‘অপরীক্ষিত কিন্তু সম্ভাবনাময়’ বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। অতীতে সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা না থাকায় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

শফিকুর রহমান কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুব প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভাতা নয়, কাজের সুযোগ সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য।

নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে তিনি ইতিবাচক বক্তব্য রাখলেও অতীত ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক এখনো কাটেনি।

সব মিলিয়ে, ‘হক ও ইনসাফ’-এর এই রাজনীতি জামায়াতের নির্বাচনী কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর