প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০২
নির্বাচনী প্রচারে ভিন্ন বার্তা ও নতুন বয়ান নিয়ে মাঠে নেমেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর বক্তৃতায় উন্নয়ন ও ক্ষমতার প্রতিশ্রুতির বদলে গুরুত্ব পাচ্ছে নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়।
প্রায় প্রতিটি জনসভায় তিনি জনগণকে গণভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁর মতে, দেশের রাজনৈতিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ‘হক’ ও ‘ইনসাফ’ শব্দ দুটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এই শব্দ দুটি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা সফর করে ৬২টির বেশি জনসভায় অংশ নেন। এসব সভায় তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরেন।
সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি তরুণ সমাজকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকেও এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তুলবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, জামায়াত নিজেদের একটি ‘অপরীক্ষিত কিন্তু সম্ভাবনাময়’ বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। অতীতে সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা না থাকায় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
শফিকুর রহমান কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুব প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভাতা নয়, কাজের সুযোগ সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য।
নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে তিনি ইতিবাচক বক্তব্য রাখলেও অতীত ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক এখনো কাটেনি।
সব মিলিয়ে, ‘হক ও ইনসাফ’-এর এই রাজনীতি জামায়াতের নির্বাচনী কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
মন্তব্য করুন: