শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

গাজার রাফাহ ক্রসিং আংশিক খুলে দিল দখলদার ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৬

দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর গাজা ও মিসরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংটি একটি ‘পাইলট অপারেশন’ বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের আওতায় আংশিকভাবে খুলে দিয়েছে দখলদার ইসরাইল।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই সীমান্ত দিয়ে উভয়মুখী যাতায়াত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিদিন গাজা থেকে প্রায় ১৫০ জন বাসিন্দা বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং বিপরীতে প্রায় ৫০ জন গাজায় প্রবেশ করতে পারবেন।

২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইলি বাহিনী রাফাহ ক্রসিং দখল করার পর থেকে এটি মূলত বন্ধ ছিল, যা গাজার বেসামরিক নাগরিকদের জীবনযাত্রা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।

ফিলিস্তিনি বেসামরিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য ক্রসিংটি খোলা হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত খোলার অপেক্ষায় বর্তমানে প্রায় ২০০ জন রোগী জরুরি চিকিৎসার জন্য গাজা ছাড়ার অনুমতি পাওয়ার আশায় রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ৪০ জন কর্মকর্তার একটি দল গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করার জন্য মিসরীয় অংশে পৌঁছেছেন।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই ক্রসিং খোলার বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনের তত্ত্বাবধানে এবং মিসরের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে ইসরাইল শর্ত দিয়েছিল, গাজায় জিম্মি থাকা সর্বশেষ ইসরাইলি সেনা রান গভিলির মরদেহ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তারা সীমান্ত খুলবে না। সম্প্রতি তার মরদেহ উদ্ধার ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর কোগাট এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংস্থাটি এই পদক্ষেপকে একটি ‘প্রাথমিক পরীক্ষামূলক পর্যায়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে।

এদিকে জাতিসংঘ এই ক্রসিংটি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের জন্যও উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে, যা গাজার বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মানবিক সহায়তাকর্মীরা বর্তমানে সীমান্তে বিভিন্ন বাধা ও পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে বিলম্বের সম্মুখীন হচ্ছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও নিয়মিত সহিংসতার খবরের মধ্যে এই সীমান্ত খোলার সিদ্ধান্তকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যদিও পূর্ণাঙ্গ চলাচলের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সমঝোতা বাকি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর