বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

কলকাতার গুদামে অগ্নিকাণ্ড: ২১টি দেহাংশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫৯

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার উপকণ্ঠ আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পাশাপাশি দুই গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এখন পর্যন্ত ২১টি দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে গত দুই দিনে। এই দেহাংশ থেকে কারোরই দেহ শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। নাজিরাবাদ এলাকায় ছিল এই দুটি গুদাম। একটি ডেকরেটরসের এবং অন্যটি একটি মোমো ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানা।

গত রোববার শেষ রাতে এই দুই গুদামে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ওই দিন রাতে ডেকরেটরসের গুদামে কর্মীরা পিকনিক করছিল। মোমো কারখানায় কর্মীরাও কাজ করছিল। এই গুদামে ছিল প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ।

অভিযোগ উঠেছে, মোমোর কারখানা থেকে এই দুটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যদিও তা অস্বীকার করেছে মোমো কর্তৃপক্ষ। তারা দাবি করেছে পাশের গুদাম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি করা হয়েছে। গতকালই বারুইপুরের এসপি শুভেন্দ্র কুমার ও অতিরিক্ত এসপি সৌম্যজিৎ বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি (সিট) গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ গতকালও ঘোষণা দিয়েছে, যাঁরা নিখোঁজ রয়েছেন তাঁদের পরিজনদের রক্তের নমুনা দিতে বলা হয়েছে। এই রক্তের নমুনা দিয়ে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দেহাংশের শনাক্ত হবে। যদিও গতকাল বুধবার পর্যন্ত ২৭ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘ওঁয়াও মোমো’ তাদের গুদামে মৃত তিনজনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।

কারখানা পুড়ে যাওয়ার পর সেখানে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের আহাজারি
অগ্নিকাণ্ডের পর এই দুই গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস পালিয়ে যান। কিন্তু মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এই দুই গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেপ্তার করে। গঙ্গাধর দাবি করেন, মোমো কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

ফরেনসিক দল ইতিমধ্যে এসে তদন্ত শুরু করেছে। ধৃত গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। তিনি ৪০ বছর ধরে ডেকোরেটরসের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

সংবাদপত্র সূত্রে আরও জানা গেছে, এখন ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে যে ২১ জনের দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে তা চেনার উপায় নেই। সব পুড়ে ছারখার। ডিএনএর পরীক্ষা ছাড়া প্রকৃত মৃতের পরিচয় পাওয়া কঠিন হবে।

দুটি গুদামে কাজ করছিল এই রাজ্যের অন্য জেলার শ্রমিকেরাও। এই ঘটনায় স্তম্ভিত রাজ্যের মানুষ। অভিযোগ উঠেছে এই দুটি গুদামের মালিক শাসকদলের ঘনিষ্ঠ।

এই দুর্ঘটনার জন্য পুলিশ এবং দমকল কর্তৃপক্ষ পৃথকভাবে দুটি মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ আনা হয়েছে অব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণের কোনো সুব্যবস্থা না থাকার।

রাজ্য সরকার নিহত পরিবারপিছু ১০ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর