শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ইউরোপকে যে কারণে ‘স্বপ্ন’ দেখতে বললেন ন্যাটোপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৪৪

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইউরোপ নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না বলে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে সতর্ক করেছেন। ইউরোপকে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জোরালো হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এমন মন্তব্য করলেন।

ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, ‘যদি কেউ আবার মনে করে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অথবা সমগ্র ইউরোপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া নিজেদের রক্ষা করতে পারবে, তাহলে স্বপ্ন দেখতে থাকো। তুমি পারবে না।

আমরা পারব না। আমাদের একে অপরের প্রয়োজন।’ গতকাল সোমবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় রুট এসব কথা বলেন।

ন্যাটোপ্রধান ইউরোপীয় দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেন, ‘যদি তারা সত্যিই একা এটি করতে চায়, তবে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে হবে।

তাদের নিজস্ব পারমাণবিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। যার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো ব্যয় করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন পারমাণবিক ছাতা হারাতে হবে। তাই, শুভকামনা।

’প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানার দাবি বজায় রাখলেও, সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি আর্কটিক দ্বীপটি দখলের জন্য বলপ্রয়োগের সম্ভাবনা প্রকাশ্যে নাকচ করে দেন।

এ প্রসঙ্গে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইস্যু সামনে আনার জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, প্রেসিডেন্টের পক্ষে তার অবস্থান কক্ষে উপস্থিত অনেককে বিরক্ত করতে পারে।

রুটে বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি ঠিক বলেছেন। আর্কটিক অঞ্চলে সত্যিই একটি সমস্যা রয়েছে।

এটি সম্মিলিত নিরাপত্তার বিষয়, কারণ সেখানে নতুন সমুদ্রপথ খুলে যাচ্ছে এবং চীন ও রাশিয়া ক্রমেই সেখানে আরো সক্রিয় হয়ে উঠছে।’ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ভবিষ্যতে দুটি ধারায় কাজ এগোবে বলে জানান রুটে।
প্রথম ধারা অনুযায়ী, আর্কটিক অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় ন্যাটোকে আরো বেশি সম্মিলিত দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে সামরিক ও অর্থনৈতিক—উভয় দিক থেকেই রাশিয়া ও চীনের প্রবেশ সীমিত করা যায়।

দ্বিতীয়টিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রাখা জড়িত। রুট বলেছেন, তিনি আলোচনায় থাকবেন না। তিনি আরো বলেছেন, ডেনমার্কের পক্ষে আলোচনা করার কোনো ম্যান্ডেট তার নেই এবং তিনি তা করবেন না।

ডেনিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন এবং তার গ্রিনল্যান্ডিক প্রতিপক্ষ ভিভিয়ান মোটজফেল্ড এই মাসের শুরুতে ওয়াশিংটনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিওর সঙ্গে দেখা করেছেন। রাসমুসেন বলেছেন, বৈঠকটি গঠনমূলক ছিল, তবে একটি মৌলিক মতবিরোধ রয়ে গেছে।

পরের সপ্তাহে ট্রাম্প এবং রুট দাভোসে দেখা করেন। যেখানে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, তিনি ন্যাটো প্রধানের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড চুক্তির জন্য একটি কাঠামোয় পৌঁছেছেন এবং ফলস্বরূপ বলেছিলেন, তিনি আর ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করবেন না। কাঠামোতে কী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, অথবা আলোচনায় রুটের সঠিক ভূমিকা কী তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর