প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৫৪
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন।
সোমবার তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান এবং খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন উচ্চমানের গমের আগমন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এই চালানটি মোট এক লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টনের বেশি একটি বৃহত্তর গম সরবরাহের অংশ। এর মধ্যে ওয়াশিংটন, ওরেগন ও আইডাহো থেকে প্রায় এক লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন সফট হোয়াইট গম এবং মনটানা ও নেব্রাস্কা থেকে প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন হার্ড রেড উইন্টার গম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ বছরে মোট গমের চাহিদার মাত্র ১৩ শতাংশ উৎপাদন করতে সক্ষম। ফলে এসব চালান উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ পুষ্টিকর গমের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই জানান, গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ মনোনীত গমচাষিদের বাণিজ্য সংগঠন ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটসের (ইউএসডব্লিউএ) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এর আওতায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রতিবছর সর্বোচ্চ সাত লাখ মেট্রিক টন যুক্তরাষ্ট্রের গম ক্রয় করবে।
এই সমঝোতা স্মারকের অধীনে আন্তর্জাতিক পণ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রোকর্পের মাধ্যমে তিনটি বিক্রয় চুক্তিতে বাংলাদেশ প্রায় ছয় লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন গম কিনেছে, যার মধ্যে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টনের বেশি ইতোমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই চুক্তি একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য পুষ্টিকর গমের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করছে।
মন্তব্য করুন: