শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

সারজিস আলমকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:০৫

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন পঞ্চগড়-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা। তিনি জানান, নির্ধারিত আচরণবিধি অমান্য করে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপন করায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জনসভা উপলক্ষে পঞ্চগড় সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় তোরণ, ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়। নির্বাচনকালীন সময়ে এসব স্থাপনা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী হওয়ায় নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে। তদন্ত শেষে প্রাথমিকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় সারজিস আলমকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

শোকজ নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। কেন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে অথবা ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা প্রয়োজন।

তবে এ বিষয়ে সারজিস আলম বা তার নির্বাচনী টিমের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের মধ্যে আচরণবিধি মানার বিষয়ে নতুন করে সতর্কতা সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর