বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

তিন বছর আগের উপেক্ষিত সতর্কবার্তা, এক রাতেই শেষ যুবরাজের জীবন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:০০

নয়ডায় এক তরুণ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের করুণ মৃত্যু প্রশাসনিক গাফিলতির নির্মম উদাহরণ হয়ে উঠেছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি জমে থাকা নিয়ে তিন বছর আগে পাঠানো সরকারি সতর্কবার্তা কার্যত উপেক্ষিত থাকায় শেষ পর্যন্ত সেই পানিই কেড়ে নিল যুবরাজ মেহতার প্রাণ।

সরকারি দপ্তরের একটি চিঠিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। সেখানে অর্থ বরাদ্দের কথাও ছিল। কিন্তু চিঠিটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছালেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গত শুক্রবার রাতে অফিস শেষে বাড়ি ফেরার সময় যুবরাজের গাড়ি রাস্তার পাশে নির্মাণাধীন একটি বেসমেন্টের পানিভর্তি গর্তে পড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার কারণে সামনে থাকা বিপদটি তিনি দেখতে পাননি।

এই মৃত্যুর পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, ড্রেনেজ সমস্যার কথা বারবার জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ নীরব ছিল। ঘটনার পর রাজ্য সরকার বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলেছে—ফাইলে আটকে থাকা সিদ্ধান্তের দায় শেষ পর্যন্ত কে নেবে, আর তার মূল্যই বা দেবে কে?


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর