বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

জামায়াতের নীতিগত ঘোষণা

টিকে থাকা নয়, স্থিতিশীলতাই এখন দেশের সবচেয়ে বড় লড়াই’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৭

দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি সমন্বিত রাষ্ট্রদর্শনের প্রস্তাব সামনে এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এক নীতিনির্ধারণী সম্মেলনে দলটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ নির্মাণের কাঠামোগত ভাবনা তুলে ধরে।

সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন আর শুধু বেঁচে থাকা নয়; বরং স্থিতিশীল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা তৈরি করা। সেই লক্ষ্যেই শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি ও সামাজিক অংশগ্রহণে সংস্কারের কথা বলা হয়।

নীতিগত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, শুধু প্রবৃদ্ধি বাড়ালেই সাফল্য আসে না। অর্থনৈতিক অগ্রগতি এমন হতে হবে, যেখানে সাধারণ মানুষ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারে, পরিবার চালাতে পারে আত্মসম্মানের সঙ্গে এবং সমাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।

নারীর অংশগ্রহণকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, জনসংখ্যার অর্ধেককে কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত না করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য নীতিগত ও কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়।

একই সঙ্গে কর্মসংস্থানকে বিনিয়োগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না ভেবে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব আসে। অনানুষ্ঠানিক শ্রম খাতকে ধাপে ধাপে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়।

সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীরা কেবল অর্থনীতির সহায়ক নন, বরং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এই মানবসম্পদকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর