শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

জামায়াতের নীতিগত ঘোষণা

টিকে থাকা নয়, স্থিতিশীলতাই এখন দেশের সবচেয়ে বড় লড়াই’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৭

দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি সমন্বিত রাষ্ট্রদর্শনের প্রস্তাব সামনে এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এক নীতিনির্ধারণী সম্মেলনে দলটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ নির্মাণের কাঠামোগত ভাবনা তুলে ধরে।

সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন আর শুধু বেঁচে থাকা নয়; বরং স্থিতিশীল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা তৈরি করা। সেই লক্ষ্যেই শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি ও সামাজিক অংশগ্রহণে সংস্কারের কথা বলা হয়।

নীতিগত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, শুধু প্রবৃদ্ধি বাড়ালেই সাফল্য আসে না। অর্থনৈতিক অগ্রগতি এমন হতে হবে, যেখানে সাধারণ মানুষ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারে, পরিবার চালাতে পারে আত্মসম্মানের সঙ্গে এবং সমাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।

নারীর অংশগ্রহণকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, জনসংখ্যার অর্ধেককে কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত না করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য নীতিগত ও কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়।

একই সঙ্গে কর্মসংস্থানকে বিনিয়োগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না ভেবে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব আসে। অনানুষ্ঠানিক শ্রম খাতকে ধাপে ধাপে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়।

সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীরা কেবল অর্থনীতির সহায়ক নন, বরং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এই মানবসম্পদকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর