বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

বিক্ষোভে কাঁপছে দেশ, তবু ক্ষমতায় টিকে মোল্লাতন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:১৬

ইরানজুড়ে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তীব্র বিক্ষোভ চললেও দেশটির শাসনব্যবস্থায় ভাঙনের স্পষ্ট কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক চাপ, অর্থনৈতিক সংকট এবং প্রাণঘাতী দমনাভিযান—সবকিছুর মধ্যেও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি এখনো ক্ষমতা ধরে রেখেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বহুতল নিরাপত্তা কাঠামোই শাসনব্যবস্থার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ও বাসজি আধাসামরিক বাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই নিরাপত্তা বলয় ভেতর থেকে ভাঙন না ধরলে শুধু বাইরের চাপেই তেহরানকে দুর্বল করা সম্ভব নয়।

বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে ইরান–ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ এবং পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার নজিরও রয়েছে। তবু পরিস্থিতি বদলায়নি।

ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, এবারের বিক্ষোভে প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব তুলনামূলক কম। বিপুল প্রাণহানি সত্ত্বেও নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষত্যাগের কোনো লক্ষণ না থাকায় সরকার কাঠামো অটুট রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ইরান বিশেষজ্ঞদের মতে, সফল পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে গণআন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করা জরুরি। বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অংশ যদি অবস্থান বদলায়, তবেই প্রকৃত পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

এর আগে ২০০৯ সালসহ একাধিক বড় আন্দোলন সামলেছে তেহরান। বর্তমান সংকট ১৯৭৯ সালের পর অন্যতম বড় হলেও সরকার এখনো ঐক্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, টিকে থাকা মানেই স্থিতিশীলতা নয়। অর্থনীতি চাপে, পারমাণবিক কর্মসূচি অনিশ্চিত এবং আঞ্চলিক মিত্ররা দুর্বল—সব মিলিয়ে সামনে পথ কঠিন।

মার্কিন হস্তক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা বাড়লেও বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে যেকোনো ‘দ্রুত পতন’ মডেল বাস্তবায়ন অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর