প্রকাশিত:
১০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:১৬
বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ঢাকায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকায় অবতরণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। দূতাবাসের এক্স (সাবেক টুইটার) ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তাকে স্বাগত জানানো হয়।
পোস্টে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যার সঙ্গে তিনি আগে থেকেই ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত। আবারও ঢাকায় ফিরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ঢাকায় কর্মরত মার্কিন ও স্থানীয় কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর ও কার্যকর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার অঙ্গীকারও জানান ক্রিস্টেনসেন।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেশাদার কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন দেন। পরবর্তীতে ডিসেম্বরে মার্কিন সিনেট তার নিয়োগ অনুমোদন করে। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হলেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং সিনিয়র ফরেন সার্ভিস কাউন্সেলের সদস্য। তিনি এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এ ছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডে বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। কূটনৈতিক জীবনে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংয়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পিটার হাস। তার বিদায়ের পর কিছু সময় রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। সেই সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের নিয়মিত কূটনৈতিক দায়িত্ব সামলান ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
মন্তব্য করুন: