বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

যুক্তরাষ্ট্রের অস্থিরতা, ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন শঙ্কা

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৫৪

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। উত্তর মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন অভিযানের সময় আইসিই এজেন্টের গুলিতে রেনি গুড নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। বড় একটি ক্রীড়া আয়োজনের আয়োজক দেশে আবারও সহিংস ঘটনার খবর বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই ঘটনার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান লেবাননের কূটনীতিক মোহামাদ সাফা। তিনি পিভিএ প্যাট্রিয়টিক ভিশনের নির্বাহী পরিচালক। এই সংস্থাটি জাতিসংঘে পরামর্শক হিসেবে স্বীকৃত। নিজের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে তিনি জানান, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য কেনা টিকিট তিনি বাতিল করেছেন। তার আশঙ্কা, নিজের পরিচয়ের কারণে আইসিই তাকেও ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে।

সাফা লেখেন, ‘আইসিই চাইলে আমাকে গ্যাং সদস্য বলে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তখন আমাকে এক বছর কারাগারে আটকে রাখা হতে পারে। কোনো অভিযোগ থাকবে না। শুনানি হবে না। বিচার হবে না। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার অধিকার থাকবে না। ফোন করার সুযোগও থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের জন্য নিরাপদ নয়।’

তার এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির দিকে ইঙ্গিত করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এই নীতি আরও কঠোর হয়েছে। এসব নীতিকে ঘিরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠছে।

সাফা একা নন। আরও অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে বিশ্বকাপকে জড়িয়ে দেখছেন। মার্কিন গ্রিন পার্টির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ও বামপন্থী কর্মী আজামু বারাকা মিনিয়াপোলিসের ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্বকাপ বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে জননিরাপত্তার অতিরিক্ত সামরিকীকরণ হচ্ছে। অভিবাসীদের আটক করতে এমন পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে আইনগত ভিত্তি ও মানবাধিকার মানছে না।

কয়েক মাস ধরে ‘বয়কট দ্য ২০২৬ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’ নামের একটি ওয়েবসাইট এসব অভিযোগ তুলে ধরছে। সেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন সব সিদ্ধান্তের তথ্য রাখা হচ্ছে, যা বিশ্বকাপের শান্তি ও সার্বজনীন চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে রিপাবলিকান প্রশাসন বারবার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর