শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

তাইওয়ানের জন্য অস্ত্রের বৃহত্তম চালান অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৫৮

চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপের মধ্যে থাকা তাইওয়ানের কাছে ১১.১ বিলিয়ন ডলারের (১ হাজার ১১০ কোটি ডলার) অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার দেশটির জন্য সর্ববৃহৎ মার্কিন অস্ত্র প্যাকেজ ঘোষণা করল যুক্তরাষ্ট্র।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর তাইওয়ানের কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অস্ত্র বিক্রির দ্বিতীয় বড় ঘটনা এটি। এমন এক সময়ে এ ঘোষণা এলো, যখন বেইজিং সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে তাইওয়ানের ওপর চাপ বাড়িয়েই চলেছে।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রির মধ্যে আটটি জিনিস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে হিমার্স, হাউইটজার কামান, জ্যাভলিন ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও আত্মঘাতী ড্রোন এবং অন্যান্য সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ। বিবৃতিতে তারা আরো বলেছে, ‘আত্মরক্ষার ক্ষমতা ধরে রাখতে এবং দ্রুত প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে তাইওয়ানকে সহায়তা করছে যুক্তরাষ্ট্র, যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।’

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্যাকেজটি এখন কংগ্রেসে নোটিফিকেশনের পর্যায়ে আছে।

কংগ্রেস চাইলে বিক্রয় বন্ধ করতে বা পরিবর্তন করতে পারবে, যদিও তাইওয়ানকে সব দলের সমর্থন রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যে তাইওয়ান তার সেনাবাহিনীকে যুদ্ধ চালানোর জন্য প্রস্তুত করছে। এর জন্য তারা মোবাইল, ছোট ও সাধারণত সস্তা অস্ত্র ব্যবহার করছে। যেমন ড্রোন, যা এখনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম।

তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের মুখপাত্র কারেন কুও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের দেশ প্রতিরক্ষা সংস্কার চালিয়ে যাবে, সমাজের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াবে, আত্মরক্ষার সংকল্প দেখাবে এবং শক্তির মাধ্যমে শান্তি রক্ষা করবে।’ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিক্রয়ের জন্য ধন্যবাদও জানান। গত মাসে তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি লাই চিং-তে ২০২৬ থেকে ২০৩৩ পর্যন্ত ৪০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণা করেছেন এবং বলেছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই।’ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও এই বিষয়ে মন্তব্য করেনি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর