বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

আইইইএফএ

সময়ের আগেই জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য অর্জন করবে বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩:১৫

গত এক দশকে জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে নেওয়া উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখলে, বাংলাদেশ সময়সীমার আগেই জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ)।

‘বাংলাদেশ এনার্জি এফিশিয়েন্সি গোলস উইথিন রিচ’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সাল থেকে জ্বালানি দক্ষতার উন্নতির ফলে বাংলাদেশ জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানিতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করেছে, যা দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুফল এনেছে।

গবেষনা প্রতিবেদনের লেখক আইইইএফএ দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ বিষয়ক প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে ২০২৩–২৪ সময়ে জ্বালানি দক্ষতা ১৩.৬৪ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা ২০ শতাংশ। শুধু ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির ফলে, ৭.২ মিলিয়ন টন তেলসমতুল্য জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার কমেছে, যা প্রায় ৩.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আমদানি ব্যয় এড়াতে সহায়তা করেছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে প্রাথমিক অগ্রগতির পর, জ্বালানি দক্ষিতা বৃদ্ধি কমে যায়। তবে ২০২১-২২ অর্থবছর পরবর্তী সময়ে, বৈশ্বিক জ্বালানির ক্রমাগত মূল্য বৃদ্ধি ও জ্বালানি সরবরাহে সঙ্কট, জ্বালানি দক্ষতাকে জরুরি অগ্রাধিকারে পরিণত করে। এর আগে ২০১৬ সালে প্রণীত এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন মাস্টার প্ল্যান এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার ভিত্তি তৈরি করে দেয়।

শফিকুল আলম আরও বলেন, বাংলাদেশে বার্ষিক গড় জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির হার প্রায় ১.৫২ শতাংশ। যা চলতে থাকলে ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগেই অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিবেদনে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে

• নিয়মিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী জ্বালানি দক্ষতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।
• বড় জ্বালানি ভোক্তাদের পরিসর বাড়ানো এবং তাদের জন্য জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ।
• নতুন ভবনে প্যাসিভ ডিজাইন উৎসাহিত করতে ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০ কার্যকরভাবে প্রয়োগ, যাতে প্রচুর বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এমন যন্ত্রপাতি যেমন এয়ার কন্ডিশনার কম ব্যবহৃত হয়।
• জ্বালানি দক্ষতা প্রকল্পের সব চ্যালেঞ্জ — জ্বালানি সাশ্রয়ের সুযোগ খোঁজা, ব্যবসায়িক মডেল তৈরি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অর্থায়নের প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ—ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সুপার এনার্জি সার্ভিস কোম্পানি প্রতিষ্ঠা।
• জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির প্রকল্পের জন্য স্বল্পমূল্যের অর্থায়ন প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে বহুজাতিক উন্নয়ন ব্যাংক-সমর্থিত সহজলভ্য অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর