বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

গণ-অভ্যুত্থানের পর দুর্নীতিতে জড়িয়েছে বিজয়ী পক্ষও

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৪৮

গণ–অভ্যুত্থানের পর দেশের সব সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে ‘বিজয়ী পক্ষও’। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সম্প্রতি এই গুরুতর অভিযোগ এনেছেন, যা দুর্নীতি দমনে অন্তর্বর্তী সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। 

ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, দুর্নীতির অন্যতম অনুঘটক হলো রাজনৈতিক, আমলাতান্ত্রিক শক্তি এবং ব্যবসার ত্রিমাত্রিক আঁতাত। তার মতে, পটপরিবর্তন হলেও এই আঁতাত ভেঙেছে বলে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তিনি বলেন, এই আঁতাত ভাঙার যে সম্ভাবনা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ছিল, সেটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়েছে বলেও মনে হচ্ছে না।

টিআইবি’র এই বক্তব্য এমন সময় এলো যখন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিগত সরকারের সময় পাচার হওয়া প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা উদ্ধার কিংবা মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্তে কোনো বড় সফলতা দেখাতে পারেনি।

এদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন নিজেও স্বীকার করেছেন যে দুর্নীতিবাজদের লাগাম টেনে ধরা কঠিন, কারণ “সন্ত্রাসীদের যেমন গডফাদার থাকে, দুর্নীতিবাজদের রক্ষায়ও এক ধরনের গডফাদার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তৈরি হয়ে যায়।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপপুরসহ আলোচিত দুর্নীতি বা পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে দুদকের বড় কোনো সফলতা চোখে না পড়ায় জনমনে এই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে—দুদক কি এখনো ক্ষমতাধর মহলের প্রভাবে বন্দী? এই পরিস্থিতি বদলাতে প্রয়োজন সদিচ্ছা এবং প্রভাবমুক্তভাবে কাজের পরিবেশ, অন্যথায় দুর্নীতি দমন কেবল আশা জাগিয়ে রাখবে, কিন্তু ফল দেবে না।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর