শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

সিন্ডিকেটের ছকে বাঁধা ভোক্তা, এবার পেঁয়াজের দামে বড় লাফ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:১১

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদনের পরেও হঠাৎ অস্থির পেঁয়াজের বাজার। মাঠ থেকে বাজারে আসতে শুরু করেছে নতুন পেঁয়াজ। কিছুদিন পরই নতুন পেঁয়াজে ভরে উঠবে বাজার। পাশাপাশি এখনও দেশে মজুত আছে এক লাখ টনের বেশি পুরোনো পেঁয়াজ।

এরপরও বাজারে এখন কৃত্রিম সংকট। সিন্ডিকেটের পুরোনো ছকে বাঁধা পড়ে গেছেন ভোক্তা সাধারণ। সরবরাহ কমের অজুহাতে একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে গেছে পেঁয়াজের দাম। 

দিনাজপুরের হিলিতে একদিন আগেও যেখানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে, সেখানে বর্তমানে তা বেড়ে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা দরে। পেঁয়াজের দামে এমন আকস্মিক লাফে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন।

হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতারা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় বাজারে এর সরবরাহ অনেকটা কমে গেছে। এর ফলে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমের কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। একদিন আগে মোকামে যে পেঁয়াজ প্রতি মণ ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা ছিল, সেটি এখন বেড়ে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকায় উঠেছে। মণ প্রতি ১ হাজার টাকা করে বেড়ে গেছে পেঁয়াজের দাম। বাড়তি দামে কিনতে হওয়ায় আমাদেরকেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। 

বিক্রেতারা বলছেন, নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করলেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমের কারণে দাম বাড়তি। তবে, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলে দাম কমে আসবে বলে দাবি তাদের।

ব্যবসায়ীদের কথাতেই স্পষ্ট, সরবরাহ কম দেখিয়ে সরকারকে আমদানির অনুমতি দিতে চাপ প্রয়োগের কৌশল হাতে নিয়েছেন তারা। 

বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্থিরতা, দেশের বাজারে ভরি কত? 
অসাধুরা ব্যবসায়ীরা মূলত পেঁয়াজ নিয়ে এই ছক তৈরি করেন অক্টোবর থেকেই। প্রতি বছরই এই সময়ে ব্যবসায়ীদের আঁকা ছকের ফাঁদে পড়েন ভোক্তাসাধারণ; বাজারে পণ্যটি কিনতে এসে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। আর এই খেলায় নীরব দর্শকের ভূমিকাতেই থাকে প্রশাসন।

এদিকে সিন্ডিকেটের এই প্রভাব পড়েছে রাজধানী ঢাকাতেও। শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়। এদিন নয়াবাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। রামপুরা কাঁচাবাজারে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা ও জিনজিরা কাঁচাবাজারে এই পেঁয়াজ ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। 

অথচ, দুই দিন আগেই প্রতিকেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ছিল এসব বাজারে। আর অক্টোবরের শেষদিকে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের খুচরা দাম ছিল ৭০ টাকা। সেপ্টেম্বরে কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে ৬০-৬৫ টাকায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক (মনিটরিং ও বাস্তবায়ন) ড. জামাল উদ্দীন বলেন, প্রকৃতপক্ষে বাজারে সরবরাহের কোনো ঘাটতি নেই। আমদানির অনুমতি দিতে সরকারকে বাধ্য করতেই সিন্ডিকেটচক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছে। অথচ, এখনও এক লাখ টনেরও বেশি পুরোনো পেঁয়াজ মজুত আছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর