বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ধোনিকে ছাড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন সালমান আগা

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:৪২

এই বছর পাকিস্তান এখন পর্যন্ত ৫৪ ম্যাচ খেলেছে, যে কোনো দলের সর্বোচ্চ। ৪৫ ম্যাচ খেলে পরের অবস্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আগা সব ম্যাচ খেলেছেন।

সালমানের সবশেষ ম্যাচ ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রোববারের ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে। বাবর আজমের দারুণ ব্যাটিং ও উসমানের হ্যাটট্রিকে ম্যাচটি জিতে ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান।

আর এই ম্যাচ খেলে সালমান এক বর্ষপঞ্জিকায় সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন। তিনি পেছনে ফেলেছেন ৫৩ ম্যাচ খেলে যৌথভাবে এতদিন শীর্ষে থাকা রাহুল দ্রাবিড় (১৯৯৯), মোহাম্মদ ইউসুফ (২০০০) ও মহেন্দ্র সিং ধোনিকে (২০০৭)।

এক বছরে ৫০ বা তার বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার প্রথম কীর্তি গড়েন শচীন টেন্ডুলকার, ১৯৯৭ সালে। সালমানের আগে এই দশকে পঞ্চাশ বা তার বেশি ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন ড্যারিল মিচেল। ২০২৩ সালে ৫১ ম্যাচে খেলেছেন তিনি।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, সালমানের এই রেকর্ড পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বিশেষ একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে। কারণ এক ক্রিকেটারের পক্ষে বছরের প্রতিটি ম্যাচে খেলা শুধু চ্যালেঞ্জিংই নয়, বরং মানসিক ও শারীরিক দিক থেকেও অত্যন্ত কঠিন। সালমান সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। তার এই অর্জন ভবিষ্যতে পাকিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর