শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রি বন্ধ, সিন্ডিকেট ঠেকাতে রাস্তায় ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:৩৪

খুলনার মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারে সিন্ডিকেট তৈরির অপচেষ্টা প্রতিহত করতে আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে নগরীর সব মোবাইল মার্কেট বন্ধ ঘোষণা করেছেন ব্যবসায়ীরা। দোকানপাট বন্ধ রেখে শিববাড়ি মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন মোবাইল ফোন ও অ্যাক্সেসরিজ খাতের শতাধিক ব্যবসায়ী।

কর্মসূচির আয়োজন করে খুলনা মহানগর মোবাইল ফোন অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।

সমিতির সভাপতি কায়েসুল আজাদ শাকিলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম পল্টুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আমিনুল ইসলাম রনি, খোরশেদ আলম, মাকসুদ রানা মুরাদ, মো. নুর ইসলাম সরদার, আজিজুল আমিন, ইমরান হাসান, মো. বেলাল হোসেন, নিহাল আহম্মদ হিরা, মোস্তফা কামাল, শাহনাজ আলী জনি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানিতে ৫৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার সিস্টেম (এনইআইআর) চালুর উদ্যোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ‘বিপর্যয় ডেকে আনা সিদ্ধান্ত’। তাঁদের দাবি, এই নীতি কার্যকর হলে মোবাইল ফোনের দাম লাগামহীনভাবে বাড়বে, কোটি মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে পড়বে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ধ্বংসের মুখে পড়বে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের মোবাইল বাজার বর্তমানে মাত্র ৮-৯ জন লাইসেন্সধারীর হাতে কেন্দ্রীভূত। ২০ কোটি মানুষের দেশে এত সীমিত সংখ্যক লাইসেন্স অযৌক্তিক উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, বাজারে ভারসাম্য ও প্রতিযোগিতা ফিরিয়ে আনতে লাইসেন্সের সংখ্যা অন্তত পাঁচ হাজারে উন্নীত করা জরুরি।

ব্যবসায়ীরা আরো অভিযোগ করেন, দেশের ৬০-৭০ শতাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে মাত্র ৩০ শতাংশ প্রভাবশালী গোষ্ঠী বাজারে মনোপলি প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা করছে। এনইআইআর সিস্টেমকে হাতিয়ার করে তারা একচেটিয়া আধিপত্য গড়তে চাচ্ছেন। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে পারবে না, আর সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে বেশি দামে ফোন কিনতে হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর