প্রকাশিত:
১১ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:২৯
বলিউডের শক্তিমান অভিনেতা তিনি। বহু হিট ও সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে কালের স্রোতে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন—ধর্মেন্দ্র। বয়স তখন ৪৪ পেরিয়েছে। ক্যারিয়ার মধ্যগগনে, যে ছবি করেই তিনি তোলপাড় সৃষ্টি করতেন দর্শকের মধ্যে। ব্যক্তিজীবনে চার সন্তানের জনক। এমন সময় বিয়ে করে হইচই ফেলে দিলেন, সেটাও করলেন ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে সুন্দরী নায়িকা হেমা মালিনীকে।
তবে সব বিতর্কে জল ঢেলে দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্রের প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। তিনি দাঁড়িয়েছিলেন স্বামীর পাশে। একজন স্ত্রী ও চার সন্তানের মা হয়েও মনের কষ্ট বুকে চেপে কথা বলেছিলেন স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের পক্ষে। আজ যখন ধর্মেন্দ্র মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন, তখন তার প্রথম স্ত্রীর সেইসব কথা আবারও আলোচনায় এসেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম ডিএনএ এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ১৯৮০ সালে হেমা মালিনীকে বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র। তবে প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে তালাক দেননি। এখনো তার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
ধর্মেন্দ্রের দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রকাশ কৌর স্বামীর পক্ষ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেন। ১৯৮১ সালে ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
‘শুধু আমার স্বামী কেন? যেকোনো পুরুষই আমার চেয়ে হেমাকেই বেছে নিতেন।’
প্রকাশ কৌর আরও বলেন, ‘সব নায়কই সম্পর্ক করছে, কেউ কেউ দ্বিতীয়বার বিয়েও করছে। আমার স্বামী হয়তো সেরা স্বামী নন, তবে তিনি দারুণ একজন বাবা। তার সন্তানরা তাকে খুব ভালোবাসে। তিনি কখনো তাদের অবহেলা করেননি।’
প্রকাশ কৌর এমনকি হেমা মালিনীর প্রতিও সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলেন। তার ভাষায়, ‘আমি বুঝি, হেমা কী পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। তাকেও সমাজ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুদের মুখোমুখি হতে হয়। তবে আমি যদি হেমার জায়গায় থাকতাম, আমি ওভাবে করতাম না। একজন নারী হিসেবে আমি তার অনুভূতি বুঝি। কিন্তু একজন স্ত্রী ও মা হিসেবে তা মেনে নিতে পারি না।’
ধর্মেন্দ্র ও প্রকাশ দম্পতির সংসারে চার সন্তান আছে। তারা হলেন দুই পুত্র—সানি দেওল ও ববি দেওল, এবং দুই কন্যা—বিজেতা ও অজিতা দেওল।
মন্তব্য করুন: