বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

যেসব রোগের মহৌষধ আমলকী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০০

আমলকী হলো একটি ভেষজ ফল, যা ভিটামিন ‌‘সি’, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (পলিফেনল, ট্যানিন, এলাজিটানিন) এবং ফাইবারে ভরপুর। যা প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং খাবার গ্রহণের পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে। সেই সঙ্গে আমলকী শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে রক্তে বন্ধনহীন গ্লুকোজ হ্রাস করতে ভূমিকা পালন করে।

এটি আপনার শরীরের নানা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যেমন— চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করা ও হজমশক্তির উন্নতি ঘটানো এবং ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। আর খালি পেটে বা অতিরিক্ত পরিমাণে আমলকী খেলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। তবে প্রতিদিন খালি পেটে সামান্য পরিমাণ আমলকীর রসের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এটি সকালে খালি পেটে কাঁচা আমলকী খাওয়া উপকারী। তাই সতর্ক থাকা উচিত।

আমলকীর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ১৫, যা এটিকে একটি ডায়াবেটিস-বান্ধব ফল বলা যেতে পারে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না। যদিও এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হলেও কোনো ওষুধের বিকল্প নয়। এটি খাদ্যতালিকায় যোগ করার আগে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ধীরে ধীরে উপকার পাওয়া যায়, তাৎক্ষণিকভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যায় না।

আর আমলকীতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড এবং পলিফেনল ইনসুলিনের কার্যকারিতা বা সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে শরীর গ্লুকোজকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে। সেই সঙ্গে আপনার শরীরের বিপাক প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা রক্তের বাড়তি শর্করাকে শরীরে জমতে বাধা দেয়।

আমলকীর গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে বা খাবারের সঙ্গে যোগ করে খাওয়া যায়। আর শুকনো আমলকীর টুকরো পানিতে ফুটিয়ে এবং স্বাদ বাড়াতে দারুচিনির মতো ডায়াবেটিস-বান্ধব ভেষজ মিশিয়ে আমলকীর চা পান করা যেতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর