বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

দালালের হাতে লাঞ্ছিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, অভিযুক্তের ৩ মাসের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৪

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালমুক্ত করতে গিয়ে দালালের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত দালাল আক্তার হোসেনকে (৩০) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আটক আক্তার হোসেন দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দেবীদ্বার উপজেলায় প্রায় ৩৭টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালচক্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে জিম্মি করে রেখেছে। এতে রোগী ও স্বজনরা নিয়মিত প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একাধিকবার সেনাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে দালালরা আটক হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।

বৃহস্পতিবার সকালে পরিদর্শনে গিয়ে জরুরি বিভাগে দালাল আক্তারকে দেখে বেরিয়ে যেতে বললে তিনি উল্টো তর্কে জড়ান।

এক পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাকে আটকাতে গেলে আক্তার হোসেন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং তার শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা আক্তারকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করাসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় আক্তার হোসেনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আক্তার হোসেন হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, হুমকি এবং মারধরের অভিযোগে আগেও বারবার জেলে গেছেন। তারা পকেটে ব্লেড রেখে ডাক্তারদের ভয় দেখান এবং রাতে ভর্তি রোগীদের টাকা-পয়সা ও মালামাল ছিনতাইয়ের করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান বলেন, ‘জরুরি বিভাগে দালালকে দেখে বেরিয়ে যেতে বললে সে গড়িমসি করে। একপর্যায়ে তাকে বের করতে গেলে আমাকে লাঞ্ছিত করে এবং শার্ট ছিঁড়ে ফেলে।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালালমুক্ত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

রোগীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অপরাধে একজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর