বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ছাদ থেকে পানি পড়া নিয়ে বিরোধে আপন ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০৬

গোপালগঞ্জে বসত-বাড়ির ছাদের পানি পড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধে ভাইদের মরধরে আপন ভাই নিহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার উনশিয়া গ্রামের ঘোষ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে জানা গেছে, উনশিয়া গ্রামের মৃত সুধীর ঘোষের ছেলে ব্যবসায়ী আনন্দ ঘোষের (৪৫) সঙ্গে বাড়ির ছাদের পানি পড়া নিয়ে তার আপন ভাই গৌরাঙ্গ ঘোষ (৫২), কালা ঘোষ (৫০) ও যুগল ঘোষের (৩০) আগে থেকে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিনে বৃষ্টি হওয়ায় আনন্দের সঙ্গে অপর তিন ভাইয়ের কথা কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে ভাই গৌরাঙ্গ, কালা, যুগল, ভাতিজা নয়ন ও সৌরভ লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আনন্দকে আহত করেন। পরে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী তাকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃতের স্ত্রী মিতা ঘোষ বলেন, ‘দিনে বৃষ্টি হয়েছে। ছাদ থেকে এই পানি পড়ায় রাতে আমার দেবর ও ভাসুররা বাড়িতে এসে আমার স্বামীকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

মৃতের স্কুলপড়ুয়া মেয়ে অথৈ ঘোষ বলেন, ‘আমার বাবা আমাকে নার্স বানাতে চেয়েছিল। আমারও নার্স হওয়ার স্বপ্ন ছিল। আমার সেই স্বপ্ন এখন আর পূরণ হবে না। আমার কাকা ও কাকাতো ভাইরা মিলে আমার বাবাকে হত্যা করেছে।

আমি আমার বাবাকে যারা হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।’ প্রতিবেশী বাচ্চু হাওলাদার বলেন, ‘এই ছাদের পানি পড়া নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতে একাধিকবার সালিস-বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সালিসকারীদের কোনো সিন্ধান্তই তারা মানেন না। শেষ পর্যন্ত সামান্য ছাদের পানি পড়া নিয়ে ভাই, ভাতিজাদের হাতে আনন্দকে জীবন দিতে হলো।’

এ বিষয়ে জানার জন্য গৌরাঙ্গ, কালা বা যুগল ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।কোটালীপাড়া থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মৃতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে আনন্দ ঘোষের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর