বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ডিআর কঙ্গোতে পৃথক নৌকাডুবিতে নিহত কমপক্ষে ১৯৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:২৩

গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে চলতি সপ্তাহে পৃথক দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় কমপক্ষে ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরো বহু মানুষ। দেশটির কর্তৃপক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে বলে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার ইকুয়েটুর প্রদেশে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মাইল) দূরে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

ডিআরসির মানবিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রদেশের লুকোলেলা অঞ্চলে কঙ্গো নদীর ধারে প্রায় ৫০০ যাত্রী নিয়ে একটি নৌকায় আগুন ধরে যায় এবং ডুবে যায়। এতে ১০৭ জন নিহত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লুকোলেলা অঞ্চলের মালাঙ্গে গ্রামের কাছে এই দুর্ঘটনার পর ২০৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। রয়টার্স সংবাদ সংস্থা কর্তৃক দেখা সমাজ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, এখনও ১৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছে।

এদিকে এর একদিন আগে বুধবার একটি পৃথক দুর্ঘটনায় প্রদেশের বাসানকুসু অঞ্চলে একটি মোটরচালিত নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৮৬ জন নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ছিলেন, তবে প্রতিবেদনে কতজন নিখোঁজ ছিলেন তার কোনো পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ কী এবং শুক্রবার সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযান চলছে কি না তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

বুধবারের দুর্ঘটনা অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই এবং রাতের অন্ধকারে চলাচলের কারণে ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

স্থানীয় একটি নাগরিক সমাজের দল বুধবারের দুর্ঘটনার জন্য সরকারকে দায়ী করেছে এবং দাবি করেছে, মৃতের সংখ্যা আরো বেশি।

দুর্ঘটনার পর অনুসন্ধান অভিযান চালায় নৌবাহিনীর কর্মীরা। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবকরাও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ আহতদের চিকিৎসা সেবা, শোকাহত পরিবারগুলোকে সহায়তা এবং জীবিতদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর