প্রকাশিত:
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:০৪
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।
ভোট গ্রহণে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে জাবির মওলানা ভাসানী হলে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। এ সময় প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী মো. শেখ সাদী হাসানসহ অন্য প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়—ব্যাপক অনিয়ম, ভোট কারচুপি ও প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের কারণে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
এ সময় বৈশাখী বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের আশঙ্কা ছিল এটি সাজানো নির্বাচন হবে। আমরা বারবার প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম যে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, কিন্তু প্রশাসন আমাদের দাবি উপেক্ষা করেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিভিন্ন হলে ভোটগ্রহণে অনিয়ম, জাল ভোট, নকল ব্যালট ব্যবহার, পোলিং এজেন্টদের কাজে বাধা দেওয়া এবং শিবির-সমর্থিত প্রার্থীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘তাজউদ্দীন হলে আমাদের ঢুকতে দেয়নি। ভোটার লিস্টে ভোটারদের ছবি নেই। ২১ নং হলে মব সৃষ্টি করা হয়। জাহানারা ইমাম হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে গায়ে হাত তোলা হয়। নির্বাচন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।
জামায়াত নেতার সরবরাহকৃত ওএমআর মেশিন আমরা চায়নি। ওই প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত ব্যালটেই ভোট হচ্ছে।’
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘১০-২০ % ব্যালট শিবিরকে দেওয়া হয়েছে কিনা। মেয়েদের হলে একই মেয়ে বারবার ভোট দিতে গেছে। শিবিরপন্থী সাংবাদিকরা মিসবিহেভ করেছে ছাত্রদলের প্রার্থীদের সঙ্গে।
শিবির-সমর্থিত প্রার্থী মেঘলা সাংবাদিক পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন, অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে আটকায়নি। সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে না। এটি কারচুপি ও প্রহসনের নির্বাচন।তাই নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হচ্ছি। নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের রায়ের প্রতিফলন হচ্ছে না।’
মন্তব্য করুন: