বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

কটিয়াদীতে চীনা মুরগির খামারে সফলতা, বছরে আয় প্রায় ১২ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:০৭

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে চীনা মুরগি বা তিতির পালনে সাফল্য অর্জন করেছেন খামারি মাসুদুল আলম। তার এই উদ্যোগ ঘুরিয়ে দিয়েছে ভাগ্যের চাকা, পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে তৈরি করেছে নতুন সম্ভাবনা।

দুই বছর আগে মাত্র ৯০০ বাচ্চা দিয়ে তিতির খামার শুরু করেন মাসুদুল। বর্তমানে খামারে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার ছোট তিতির এবং ৫০০ বড় তিতির।

প্রতিটি বাচ্চা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়। একটি মা তিতির বছরে গড়ে ১৫০টি ডিম দেয়। প্রতিটি ডিমের ওজন ৪০ থেকে ৪৫ গ্রাম এবং ইনকিউবেটরে যা ফোটাতে সময় লাগে ২৭-২৮ দিন। দেশের আবহাওয়ায় সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডিম দেয় তারা।

প্রজনন মৌসুম মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি বড় তিতিরের ওজন ৩ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত হয়, যা কেজি প্রতি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে সরবরাহ করা হচ্ছে এসব পাখি। দানাদার শস্য, কচি ঘাস, ভুসি, কুঁড়া, পোকামাকড় ও সবজি এদের প্রধান খাদ্য।

খামারি মাসুদুল আলম জানান, প্রতি মাসে খরচ বাদে গড়ে এক লাখ টাকা লাভ হয়, বছরে আয় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা। এ ছাড়াও তিনি জানান, পোলট্রি মুরগির তুলনায় তিতিরের মৃত্যুহার কম, রোগবালাই নেই বললেই চলে এবং ওষুধের প্রয়োজনও খুব কম। জন্মের পর প্রথম দুই সপ্তাহ ভালোভাবে পরিচর্যা করলে বাকি সময়ে মৃত্যুহার প্রায় শূন্য।

স্থানীয়রা জানায়, মাসুদুলের সফলতা দেখে তারাও তিতির খামারে আগ্রহী হয়েছেন। তাদের মতে, সরকার বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করলে অনেকেই এই খাত থেকে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

কটিয়াদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ উসমান গণী জানান, যারা নতুন করে তিতির খামার করতে আগ্রহী হবে, তাদের প্রয়োজনীয় সব পরামর্শ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই যেসব খামার হয়েছে, তাদের নিয়মিত চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিতিরের রোগবালাই কম, ডিম বেশি দেয়, ওজন দ্রুত বাড়ে, উৎপাদন খরচ কম এবং দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর