শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

চাঁদা না পেয়ে ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:০৬

যশোরের মনিরামপুরে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে ভ্যানচালক মিন্টু হোসেনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির রহমানকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) অরূপ ঘোষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার সাব্বির উপজেলার হাকোবা গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে।

এসআই অরূপ ঘোষ বলেন, ‘হাকোবা এলাকার ভ্যানচালক মিন্টু এবং তার দুই ভাই সেন্টু ও পিকুলকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় তাদের মা আমেনা বেগম থানায় একটি মামলা করেন। সেই ঘটনায় ফারুক ও সাব্বির নামের দুজনকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিন্টু মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হলে সাব্বির নামের অপর একজনকে প্রধান আসামি করা হয়। মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রবিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

’প্রসঙ্গত, কয়েক মাস ধরে অভিযুক্ত সাব্বির ভ্যানচালক সেন্টুর কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের উত্তর গেট মোড়ে সেন্টুর একটি চায়ের দোকান আছে। চাঁদা না পেলে তার দোকানটি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিতেন সাব্বির। সর্বশেষ ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় দোকানে চাঁদা দাবি করলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে সাব্বির পাঁচ-ছয়জন সঙ্গী নিয়ে এসে সেন্টু, তার বড় ভাই মিন্টু এবং মেজো ভাই পিকুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় তাদের বৃদ্ধ মা-বাবাকেও মারধর করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিন্টুকে ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর