বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ইসরায়েল ৭০০ দিনে গাজাকে ৯০% ধ্বংস করেছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:২২

ইসরায়েলের টানা ৭০০ দিনের বোমাবর্ষণে প্রায় পুরো অঞ্চলটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ক্ষতির পরিমাণ ৬৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম অফিস। শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে তারা। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

এক বিবৃতিতে অফিসটি জানায়, এই হত্যাযজ্ঞে গাজার অবকাঠামোর প্রায় ৯০% ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এর সঙ্গে চলছে ‘গণহত্যা ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির সুসংগঠিত নীতি।

’তাদের হিসেবে, এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৭০০’রও বেশি মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০,০০০ শিশু এবং ১২,৫০০ নারী রয়েছে। ২,৭০০ পরিবার সম্পূর্ণভাবে নাগরিক নিবন্ধন থেকে মুছে গেছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১,৬৭০ জন চিকিৎসাকর্মী, ২৪৮ জন সাংবাদিক, ১৩৯ জন সিভিল ডিফেন্স সদস্য এবং ১৭৩ জন পৌর কর্মচারী। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬২,০০০ এরও বেশি মানুষ, যাদের অনেকেই হাত-পা হারানো, পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়া বা দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো জীবন-পরিবর্তনকারী আঘাতের শিকার।

অফিসটি জানিয়েছে, ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং ১৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। হাজার হাজার অন্যান্য সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এছাড়াও, গাজা শহর ও উত্তরাঞ্চলের মানুষদের বাড়িতে ফেরার অনুমতি না দিয়ে এবং অনাহারকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েল গণ-বাস্তুচ্যুতি চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গণমাধ্যম অফিস বলেছে, কয়েক লক্ষ ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ২৪ লাখ বাসিন্দা – যাদের মধ্যে ১০ লাখেরও বেশি শিশু – চরম দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে পড়েছে।

তারা ইসরায়েল ও এর মিত্রদের, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রকে, এই ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী করে আরব ও ইসলামি দেশগুলো, বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জাতিসংঘকে আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা অবিলম্বে আগ্রাসন বন্ধে পদক্ষেপ নেয়, অবরোধ প্রত্যাহার করে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে ফিরিয়ে আনে এবং আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলি নেতাদের বিচারের মুখোমুখি করে।

গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুক্রবার ৭০০ দিনে প্রবেশ করেছে। এই সামরিক অভিযানে পুরো অঞ্চল দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর