বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

চোখের ছানির শিকার হতে পারে শিশুরাও, যে লক্ষণে সচেতন হবেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:২৭

চোখে ছানি পড়াকে বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন বয়স্কদের সমস্যা। তবে চুলে পাক ধরা, ত্বক শিথিল হওয়ার মতো এই সমস্যা এখন কম বয়সীদেরও মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে শিশুদের মধ্যেও ক্যাটারাক্টের সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছানির সমস্যা দেখা যায় ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে। বহু মানুষ দৃষ্টিহীনও হয়ে পড়েন এই সমস্যায়। ইদানীং শিশুদেরও ছানির কারণে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে চোখ। বয়সেও ছানির কারণে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে চোখ।

শিশুদের ছানির কারণ হিসবে অনেকগুলো বিষয় চিহ্নিত করেছেন চিকিৎসকরা। ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে কয়েক মাসের শিশুরও ছানি হতে পারে। আবার পাঁচ বছরের শিশুরও হতে পারে। এখন তার চিকিৎসাও হয় যেকোনো ভালো চক্ষু হাসপাতালে।

তবে মনে রাখতে হবে ছোটদের ছানি পড়ার ধরন আলাদা। আর লক্ষণও আলাদা, কারণ ছানিজনিত সমস্যাগুলো সাধারণত শিশুরা বুঝতেও পারে না। যেমন বোর্ডে লেখা পড়তে সমস্যা হওয়া, দূরের লেখা পড়তে না পারা, চোখের মণি ও চারপাশে সাদা স্তর দেখলে সতর্ক হোন।
জন্মগত ক্যাটারাক্ট

কিছু শিশু জন্ম থেকেই ক্যাটারাক্ট নিয়ে জন্মায়। এটি সাধারণত বংশগত সমস্যা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় মায়ের কোনো সংক্রমণের ফলে (যেমন রেডিওলজিক্যাল এক্সপোজার, রুবেলা ভাইরাস) এই সমস্যা হতে পারে।

ক্রোমোজোমের ত্রুটি বা জিনগত কারণে ছানি পড়তে পারে। তবে আরো কিছু কারণে চোখের লেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ছানির সমস্যা হতে পারে।
চোখে আঘাত

শিশুদের খেলাধুলা বা কোনো দুর্ঘটনার কারণে চোখে আঘাত লাগলেও সমস্যা হতে পারে। আঘাতের কারণে লেন্সের উপরিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার ফলে চোখ ঘোলাটে হতে শুরু করে।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস ও মেটাবলিক ডিসঅর্ডার কিছু মেটাবলিক রোগ যেমন গ্যালাকটোসিমিয়া, নিউরোডার্মাটাইটিস ইত্যাদি শিশুদের দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কারণ হতে পারে। এই রোগগুলো চোখের লেন্সকে প্রভাবিত করে।

ওষুধের প্রভাব

শিশুদের যদি দীর্ঘ সময় ধরে কিছু ওষুধ খেতে হয়। বিশেষ করে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খেতে হয়, এটি থেকেও চোখের সমস্যা হতে পারে।

চোখের সংক্রমণ

শিশুদের চোখে সংক্রমণ হলে ক্যাটারাক্টের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে যদি সংক্রমণের চিকিৎসা সময় মতো না হয়, তবে লেন্সের গুণমান খারাপ হতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর