বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

গায়ের রঙে কালো তাই স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামীর ফাঁসির আদেশ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:০৮

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের উদয়পুরে স্ত্রীর গায়ের রঙ নিয়ে কটূক্তি ও অপমানের পর তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করেন স্বামী কিষাণদাস। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে।

মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিতে ভুক্তভোগী লক্ষ্মী জানান, তার স্বামী কিষাণদাস বিয়ের পর থেকেই নিয়মিত তাকে ‘কালো’ বলে কটাক্ষ করতেন এবং শরীর নিয়ে অপমান করতেন।

বিচারক বলেন, ‘এটি এমন অপরাধ যা মানবতার বিবেককে নাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থ-সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না।

’আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৪ জুন রাতে কিষাণদাস একটি প্লাস্টিক বোতলে বাদামি রঙের তরল পদার্থ নিয়ে আসেন। তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন, এটি ত্বক ফর্সা করার ওষুধ। তবে লক্ষ্মী বলেন, এর গন্ধ অ্যাসিডের মতো। এরপর কিষাণদাস সেই তরল শরীরে মেখে আগরবাতি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

শরীরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে তিনি অবশিষ্ট তরল পদার্থ ঢেলে দিয়ে পালিয়ে যান। পরে কিষাণদাসের বাবা-মা ও বোন গুরুতর দগ্ধ লক্ষ্মীকে হাসপাতালে নেন, তবে বাঁচতে পারেননি। মৃত্যুর আগে তিনি পুলিশ, চিকিৎসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে পুরো ঘটনার বিবরণ দেন।

উদয়পুরের জেলা জজ রাহুল চৌধুরী রায়ে বলেন, এই হত্যাকাণ্ড ‘বিরলের মধ্যেও বিরলতম’। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। তিনি আরো উল্লেখ করেন, কিষাণদাস তার স্ত্রীর বিশ্বাস ভেঙেছেন।
‘ঐতিহাসিক রায়’

সরকারি কৌঁসুলি দিনেশ পালিওয়াল এ রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘একজন তরুণীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। সে কারো বোন, কারো মেয়ে, কারো প্রিয়জন ছিল।

আমরা যদি আমাদের মেয়েদের বাঁচাতে না পারি, তাহলে কে বাঁচাবে? আশা করি এই রায় সমাজের অন্যদের জন্য শিক্ষা হয়ে থাকবে।’ মৃত্যুদণ্ডের রায় হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে চূড়ান্ত নিশ্চয়তার জন্য। তবে দোষীর কাছে আপিল করার জন্য ৩০ দিন সময় রয়েছে।

অন্যদিকে কিষাণদাসের আইনজীবী সুরেন্দ্র কুমার মেনারিয়া বিবিসিকে বলেন, লক্ষ্মীর মৃত্যু দুর্ঘটনাজনিত এবং তার মক্কেলকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর