বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

দাঙ্গা নিয়ে ‘মুখবন্ধ’ রাখা মোদি কেন মণিপুর সফরে যাচ্ছেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:২৪

ভারতের মণিপুর রাজ্যে আগামী ৭ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্য ছুটি নিতে পারবেন না—এমন নির্দেশনা জারি করেছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর।

রাজ্যের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়্যার-কে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য সফরের কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোদির সফরসূচিতে রাজধানী ইম্ফল ছাড়াও সহিংসতায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা চূড়াচাঁদপুরের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।

গত ৩১ আগস্ট দ্য হিন্দু জানায়, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।২০২৩ সালের মে মাসে জাতিগত সহিংসতা শুরুর পর এটাই হবে তার প্রথম সফর।

মণিপুরে গত দুই বছরে সহিংসতায় প্রাণ গেছে ২৬০ জনের বেশি মানুষের। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি। এখনো হাজারো মানুষ ত্রাণশিবিরে বাস করছেন।

সহিংসতার জন্য রাজ্যের মেইতেই এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যকার গভীর বিভেদকে দায়ী করা হচ্ছে।

মোদির সম্ভাব্য সফরের আগে দুটি বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হচ্ছে—কুকি-জো গোষ্ঠীর সঙ্গে সাসপেনশন অব অপারেশনস (এসওও) চুক্তি এবং রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ ও পূর্ণাঙ্গ সরকার গঠন।

২০০৮ সালে শুরু হওয়া এসওও চুক্তি অনুযায়ী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে নির্দিষ্ট ক্যাম্পে অবস্থান ও অস্ত্র তালাবদ্ধ করে রাখতে হয়। তবে ২০২৩ সালের সহিংসতার পর থেকে কুকি গোষ্ঠী স্বতন্ত্র প্রশাসনের জোর দাবি তুলেছে।

মেইতেই সম্প্রদায় এর কড়া বিরোধিতা করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য ওয়্যার জানিয়েছে, কেন্দ্র থেকে কুকি সংগঠন ইউপিএফ ও কেএনও-কে নতুন আলোচনার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে নয়াদিল্লি যদি ‘স্বতন্ত্র প্রশাসন’-এর দাবি মেনে নেয়, তাহলে মেইতেইদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোর।

এর আগে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে।

বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ দাবি করছে, ৬০ আসনের মধ্যে ৪৪ জন তাদের সঙ্গে আছে। ফলে নতুন সরকার গঠনের আলোচনা তীব্র হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর