প্রকাশিত:
১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৯
জামালপুরের সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গি’র মৃত্যুর ৮ মাস পর তার মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাংবাদিক দিলরুবা ইয়াসমিন রুমা বাদী হয়ে তার প্রথম স্ত্রী ও মেয়ের স্বামীসহ কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আদালত কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের আদেশ দেন।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন ও পিবিআই পুলিশ ওই সাংবাদিকের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠান।
সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গি জামালপুরের স্থানীয় দৈনিক পল্লীকণ্ঠ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। তার বাড়ি মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর নাংলা এলাকায়। তার প্রথম স্ত্রীর ঘরে একটি সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সংসারে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। বর্তমানে পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তার মেয়ের স্বামী জিয়াউল হক রাফি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর রাত ৮টায় জামালপুর শহরের বানিয়া বাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গির মৃত্যু হয়। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দিলরুবা ইয়াছমিন রুমা প্রথম স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর জুলাই মাসে মরদেহ উত্তোলনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৬ আগস্ট আদেশ দেন পিবিআইকে।
জামালপুর পিবিআই-এর পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ বলেন, ‘মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন কল্পে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’
মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আলমগীর বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গির মরদেহ উত্তোলন করা হয়।’
মন্তব্য করুন: