বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

সন্তানদের নিয়ে ৮০০ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন বাবা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:০১

সন্তানদের দৃঢ়তা ও সহনশীলতার শিক্ষা দিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন চীনের এক বাবা। নিজের দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ৩১ দিনে হেঁটে অতিক্রম করেছেন ৮০০ কিলোমিটার পথ।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শেনজেনের বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম উ। তার দুই সন্তান—১০ বছরের মেয়ে ও ৮ বছরের ছেলেকে নিয়ে গত ১৭ জুলাই হেঁটে রওনা দেন হুনান প্রদেশের উদ্দেশ্যে।

প্রথমে তিনি নিজেও ভাবেননি যে, এত অল্প বয়সী দুই শিশু এত দীর্ঘ পথ সফলভাবে অতিক্রম করতে পারবে। কিন্তু যাত্রা শেষে তিনি সন্তানদের নিয়ে ভীষণ গর্ব প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে উ বলেন, ‘আমি ভাবিনি, ওরা শেষ পর্যন্ত যেতে পারবে। এখন আমার স্বস্তি হচ্ছে যে তারা পেরেছে, একই সঙ্গে আমি তাদের জন্য গর্বিত।

’সাধারণত নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন উ। সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ খুব একটা হয় না তার। তবে দুই বছর আগে তিনি এমন একটি পরিকল্পনা করেছিলেন। সেবারও সন্তানদের নিয়ে হুনানে হাঁটার চিন্তা করেছিলেন তিনি।

কিন্তু বয়স কম থাকায় তখন বাচ্চাদের নিয়ে এতটা পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়নি। উ বলেন, ‘এই হাইকিংয়ের মাধ্যমে আমি তাদের মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে চেয়েছিলাম। আগে ওরা সহজেই হাল ছেড়ে দিত, চ্যালেঞ্জের মুখে পিছিয়ে যেত। আমি চেয়েছিলাম, তারা যেন যা শুরু করবে, তা দৃঢ়ভাবে শেষ করতে শেখে।’

এই যাত্রায় উ নিজে বহন করেছেন ১০ কেজি ওজনের একটি ব্যাকপ্যাক। আর ছেলে-মেয়ের কাঁধে ছিল পাঁচ কেজি ওজনের ব্যাগ। প্রতিদিন অন্তত ২৩ কিলোমিটার হাঁটতে হতো তাদের।

যাত্রাপথে বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়লে উ নানা কথায় সাহস জুগিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমি খেয়াল করতাম তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, আমি তাদের বলতাম—ওরা তাদের বাবার চেয়েও শক্তিশালী।’

যাত্রা শেষে উ-র পায়ে ফোসকা পড়লেও সন্তানদের পা অক্ষত ছিল। শুধু হাঁটার শিক্ষা নয়, এই সফরে উ সন্তানদের আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখার শিক্ষাও দিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রতিদিনের খরচের জন্য ছেলে-মেয়েকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতেন। এতে করে তারা বুঝতে শিখেছে কিভাবে সীমিত অর্থে খরচের হিসাব মেলাতে হয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর