শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

সন্তানদের নিয়ে ৮০০ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন বাবা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:০১

সন্তানদের দৃঢ়তা ও সহনশীলতার শিক্ষা দিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন চীনের এক বাবা। নিজের দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ৩১ দিনে হেঁটে অতিক্রম করেছেন ৮০০ কিলোমিটার পথ।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শেনজেনের বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম উ। তার দুই সন্তান—১০ বছরের মেয়ে ও ৮ বছরের ছেলেকে নিয়ে গত ১৭ জুলাই হেঁটে রওনা দেন হুনান প্রদেশের উদ্দেশ্যে।

প্রথমে তিনি নিজেও ভাবেননি যে, এত অল্প বয়সী দুই শিশু এত দীর্ঘ পথ সফলভাবে অতিক্রম করতে পারবে। কিন্তু যাত্রা শেষে তিনি সন্তানদের নিয়ে ভীষণ গর্ব প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে উ বলেন, ‘আমি ভাবিনি, ওরা শেষ পর্যন্ত যেতে পারবে। এখন আমার স্বস্তি হচ্ছে যে তারা পেরেছে, একই সঙ্গে আমি তাদের জন্য গর্বিত।

’সাধারণত নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন উ। সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ খুব একটা হয় না তার। তবে দুই বছর আগে তিনি এমন একটি পরিকল্পনা করেছিলেন। সেবারও সন্তানদের নিয়ে হুনানে হাঁটার চিন্তা করেছিলেন তিনি।

কিন্তু বয়স কম থাকায় তখন বাচ্চাদের নিয়ে এতটা পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়নি। উ বলেন, ‘এই হাইকিংয়ের মাধ্যমে আমি তাদের মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে চেয়েছিলাম। আগে ওরা সহজেই হাল ছেড়ে দিত, চ্যালেঞ্জের মুখে পিছিয়ে যেত। আমি চেয়েছিলাম, তারা যেন যা শুরু করবে, তা দৃঢ়ভাবে শেষ করতে শেখে।’

এই যাত্রায় উ নিজে বহন করেছেন ১০ কেজি ওজনের একটি ব্যাকপ্যাক। আর ছেলে-মেয়ের কাঁধে ছিল পাঁচ কেজি ওজনের ব্যাগ। প্রতিদিন অন্তত ২৩ কিলোমিটার হাঁটতে হতো তাদের।

যাত্রাপথে বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়লে উ নানা কথায় সাহস জুগিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমি খেয়াল করতাম তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, আমি তাদের বলতাম—ওরা তাদের বাবার চেয়েও শক্তিশালী।’

যাত্রা শেষে উ-র পায়ে ফোসকা পড়লেও সন্তানদের পা অক্ষত ছিল। শুধু হাঁটার শিক্ষা নয়, এই সফরে উ সন্তানদের আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখার শিক্ষাও দিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রতিদিনের খরচের জন্য ছেলে-মেয়েকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতেন। এতে করে তারা বুঝতে শিখেছে কিভাবে সীমিত অর্থে খরচের হিসাব মেলাতে হয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর