শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

দেশজুড়ে প্রতিবাদ

মেক্সিকোতে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ,

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ আগষ্ট ২০২৫, ১২:২২

মেক্সিকো জুড়ে হাজার হাজার মানুষ দেশব্যাপী নিখোঁজের ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। রাজধানী মেক্সিকো সিটিসহ গুয়াদালাজারা, কর্ডোবা ও অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমে আসেন নিখোঁজ ব্যক্তিদের আত্মীয়স্বজন, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিকরা।

তাদের দাবি, সরকার যেন নিখোঁজদের সন্ধানে আরো সক্রিয় হয় এবং জোরপূর্বক অন্তর্ধান প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউমের সরকারের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন প্রিয়জনদের খুঁজে পেতে সহায়তা করার জন্য।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে মেক্সিকোতে ১,৩০,০০০-এরও বেশি মানুষ নিখোঁজ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সমস্যা মূলত ২০০৭ সাল থেকে তৈরি হয়েছে। যখন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফেলিপে ক্যালদেরন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, অনেক নিখোঁজকে জোরপূর্বক মাদক চক্রে নিয়োগ করা হয়েছে অথবা তাদের হত্যা করা হয়েছে।

যদিও সংগঠিত অপরাধ গোষ্ঠীগুলিকে প্রধান দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তবে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ওয়াক্সাকা থেকে শুরু করে উত্তরের সোনোরা ও ডুরাঙ্গো পর্যন্ত প্রতিটি অঞ্চলে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মিছিলকারীরা প্রিয়জনদের ছবি ও নামসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। নিখোঁজদের খুঁজে পেতে অনেক পরিবার নিজেরাই ‘বাসকাদোরস’ নামে পরিচিত অনুসন্ধান দল গঠন করেছেন।

অনেক সময় মাদক চক্রের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এরা উত্তর মেক্সিকোর গ্রাম ও মরুভূমিতে অনুসন্ধান চালান। তবে এতে তাদের জীবনও হুমকির মুখে পড়ে। সম্প্রতি জালিস্কো রাজ্যে এক বাসকাদোর দল একটি মাদক খামারের সন্ধান পাওয়ার পর দলের বেশ কয়েকজন সদস্য নিখোঁজ হন। এদিকে, রাজ্য অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর জানিয়েছে, খামারের এলাকায় শ্মশানের কোনো প্রমাণ মেলেনি। জাতিসংঘ এই পরিস্থিতিকে বিশাল মাত্রার একটি মানবিক বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

মেক্সিকোতে নিখোঁজের সংখ্যা বর্তমানে ল্যাটিন আমেরিকার অন্যান্য ঐতিহাসিক নিখোঁজ ঘটনার সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, গুয়াতেমালার ৩৬ বছরের গৃহযুদ্ধে প্রায় ৪০,০০০ এবং আর্জেন্টিনার সামরিক শাসনামলে (১৯৭৬-১৯৮৩) প্রায় ৩০,০০০ মানুষ নিখোঁজ হয়েছিল।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর