শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

দেশজুড়ে প্রতিবাদ

মেক্সিকোতে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ,

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ আগষ্ট ২০২৫, ১২:২২

মেক্সিকো জুড়ে হাজার হাজার মানুষ দেশব্যাপী নিখোঁজের ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। রাজধানী মেক্সিকো সিটিসহ গুয়াদালাজারা, কর্ডোবা ও অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমে আসেন নিখোঁজ ব্যক্তিদের আত্মীয়স্বজন, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিকরা।

তাদের দাবি, সরকার যেন নিখোঁজদের সন্ধানে আরো সক্রিয় হয় এবং জোরপূর্বক অন্তর্ধান প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউমের সরকারের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন প্রিয়জনদের খুঁজে পেতে সহায়তা করার জন্য।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে মেক্সিকোতে ১,৩০,০০০-এরও বেশি মানুষ নিখোঁজ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সমস্যা মূলত ২০০৭ সাল থেকে তৈরি হয়েছে। যখন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফেলিপে ক্যালদেরন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, অনেক নিখোঁজকে জোরপূর্বক মাদক চক্রে নিয়োগ করা হয়েছে অথবা তাদের হত্যা করা হয়েছে।

যদিও সংগঠিত অপরাধ গোষ্ঠীগুলিকে প্রধান দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তবে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ওয়াক্সাকা থেকে শুরু করে উত্তরের সোনোরা ও ডুরাঙ্গো পর্যন্ত প্রতিটি অঞ্চলে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মিছিলকারীরা প্রিয়জনদের ছবি ও নামসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। নিখোঁজদের খুঁজে পেতে অনেক পরিবার নিজেরাই ‘বাসকাদোরস’ নামে পরিচিত অনুসন্ধান দল গঠন করেছেন।

অনেক সময় মাদক চক্রের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এরা উত্তর মেক্সিকোর গ্রাম ও মরুভূমিতে অনুসন্ধান চালান। তবে এতে তাদের জীবনও হুমকির মুখে পড়ে। সম্প্রতি জালিস্কো রাজ্যে এক বাসকাদোর দল একটি মাদক খামারের সন্ধান পাওয়ার পর দলের বেশ কয়েকজন সদস্য নিখোঁজ হন। এদিকে, রাজ্য অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর জানিয়েছে, খামারের এলাকায় শ্মশানের কোনো প্রমাণ মেলেনি। জাতিসংঘ এই পরিস্থিতিকে বিশাল মাত্রার একটি মানবিক বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

মেক্সিকোতে নিখোঁজের সংখ্যা বর্তমানে ল্যাটিন আমেরিকার অন্যান্য ঐতিহাসিক নিখোঁজ ঘটনার সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, গুয়াতেমালার ৩৬ বছরের গৃহযুদ্ধে প্রায় ৪০,০০০ এবং আর্জেন্টিনার সামরিক শাসনামলে (১৯৭৬-১৯৮৩) প্রায় ৩০,০০০ মানুষ নিখোঁজ হয়েছিল।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর