প্রকাশিত:
২৩ আগষ্ট ২০২৫, ১৪:১৫
ময়মনসিংহের ভালুকায় বেড়াতে আসা দুই অতিথিসহ এক পরিবারের আটজনকে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করে নগদ টাকাসহ মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের বাদেপুরুড়ার কতদতলী এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম সরকার রনুর বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। অচেতন দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের বাদেপুরুড়ার কতদতলী এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম সরকার রনু (৬০), তার স্ত্রী রহিমা খাতুন (৫৫), তার প্রবাসী দুই ছেলের স্ত্রী ইতি আক্তার (২৫), বিপাশা আক্তার (১৮), নাতি জিম (৯), নতনী তানহা আক্তার (৭) এবং বেড়াতে আসা অতিথি ছেলের শ্বশুর মো. বাবুল খান (৫৫) ও শাশুড়ি রিনা আক্তার (৪৫) গতকাল শুক্রবার দুপরের পর থেকে ঝিমাতে শুরু করেন। রাতে তারা অচেতন হয়ে পড়েন।
পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা রফিকুলের ঘরের বারান্দার ছিটকিনি ভেঙে কৌশলে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে এবং নগদ টাকা, প্রবাস থেকে আনা স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৩৫ লাখ টকার মালামাল লুটে নেয়।
এদিকে, গভীর রাতে রফিকুলের এক পুত্রবধূ সামান্য চেতনা ফিরে পেয়ে ঘরের মালামাল তছনছ অবস্থায় দেখতে পান।
তিনি বিষয়টি মোবাইলে তাদের এক স্বজনকে জানান। পরে, ৯৯৯-এ কল পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অচেতনদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
মো. বাবুল খান ও রহিমা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, খাবার অথবা পানির সঙ্গে চেতনা নাশক মিশিয়ে বাড়ির সবাইকে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ভালুকা থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন: