বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

১৩ বছর পর ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:৩০

ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। প্রায় ১৩ বছর পর বাংলাদেশে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটিই প্রথম সফর।  

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সফর পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ প্রায় ১৩ বছর পর একজন পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন।

২৩ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত এই সফরে দার বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

২০১২ সালের পর এটাই ঢাকায় কোনো শীর্ষ পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর। ইসলামাবাদ একে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়নের ‘উল্লেখযোগ্য মাইলফলক’ হিসেবে দেখছে।

সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে বাণিজ্য বিষয়ক চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উষ্ণতা তৈরি হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের পতনের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশ গত বছর সমুদ্রপথে বাণিজ্য শুরু করে এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার-টু-সরকার বাণিজ্য সম্প্রসারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফও বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেছেন।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান ঢাকায় বৈঠকে অংশ নেন, যেখানে যৌথ কমিশন গঠনের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়। তার আগের দিন দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারাও পাকিস্তানে বৈঠক করেছেন।

গত মাসে ইসলামাবাদ ও ঢাকা কূটনৈতিকভাবে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করে যখন তারা নীতিগতভাবে কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়।

এপ্রিল মাসে করাচি-চট্টগ্রাম সরাসরি শিপিং লাইন চালুর মাধ্যমে বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয় এবং উভয় দেশ সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর