শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

কিডনির রোগে নারীরা বেশি আক্রান্ত কেন? সতর্কতা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ আগষ্ট ২০২৫, ১৫:৪৪

কিডনির অসুখ ধীরে ধীরে শরীরে প্রভাব ফেলে। পা ফুলে যাওয়া বা ক্লান্তি—এই সাধারণ উপসর্গগুলো অনেকেই অবহেলা করেন। ফলে রোগ ধরা পড়তে সময় লেগে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েরাই এই রোগে বেশি ভোগেন।

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর নেফ্রোলজি এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, প্রতি বছর প্রায় ছয় লক্ষ নারীর মৃত্যু হয় কিডনির ক্রনিক রোগে আক্রান্ত হয়ে।
কেন মেয়েরা বেশি আক্রান্ত হন?

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ-এর একটি গবেষণাপত্র বলছে, শুধু শারীরিক কারণ নয়, আর্থ-সামাজিক কারণেও নারীরা কিডনি রোগে বেশি আক্রান্ত হন। যেমন-

অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস: অনেকেই জানেন না যে তাদের রক্তচাপ বা সুগার রয়েছে। এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কিডনি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

চিকিৎসার প্রতি অনীহা: বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার নারীরা অসুস্থ না হলে চিকিৎসকের কাছে যান না। ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে।

সুনির্দিষ্ট রোগের প্রভাব: লুপাস নেফ্রাইটিস (এক ধরনের অটোইমিউন রোগ) ও ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন মেয়েদের মধ্যে বেশি হয়। এর ফলে কিডনির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ে।

গর্ভাবস্থার জটিলতা: অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বারবার ইউরিন ইনফেকশন বা রক্তচাপের সমস্যা থাকলেও কিডনির ঝুঁকি বাড়ে।

কী করলে কিডনির রোগ প্রতিরোধ করা যাবে? পানি খান নিয়মমাফিক: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। কতটা পানি আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজন, তা চিকিৎসকের পরামর্শে জেনে নিন। ওজন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন: নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। লবণ ও চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমান।

প্রোটিন খাবার পরিমিতভাবে খান: মাছ, ডিম, মাংস ইত্যাদি কমিয়ে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী খান। কারণ এগুলো দুর্বল কিডনির ওপর বাড়তি চাপ ফেলে। ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।

নিয়মিত টেস্ট করান: যাদের রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস আছে, তাদের বছরে অন্তত একবার ইউরিন, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন ও অ্যালবুমিন পরীক্ষা করানো উচিত— যদি কোনো উপসর্গ নাও থাকে।

নারীদের কিডনি রোগের ঝুঁকি বেশি হলেও সচেতনতা ও নিয়মমাফিক জীবনযাপনের মাধ্যমে এই রোগ অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব। শরীরকে ভালোবাসুন, যত্ন নিন—সুস্থ থাকুন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর