বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

নারীর দিকে গোপনে নজর, দেখে ফেলায় হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১২:৫৭

গোপনে এলাকার এক নারীর বিবস্ত্র অবস্থা দেখতেন সবুজ শেখ (৩৫) নামের এক যুবক। এ ঘটনা দেখে ফেলায় তিনি সোয়েবুর রহমান (৪৬) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করেন। এ ঘটনার রোমহষর্ক বর্ণনা নিজের মুখে পুলিশকে জানান সুবজ।

গতকাল রবিবার (১০ আগস্ট) রাতে লোহাগড়া থানার হলরুমে পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান লোহাগড়া থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম।

হত্যার শিকার লোহাগড়া উপজেলার মাইটকুমড়া গ্রামের মৃত ইউনুস খানের ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত সবুজকে গতকাল রবিবার বিকালে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার লোহাগড়া উপজেলার কালনা গ্রামের মৃত আহাদ শেখের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিক সোয়েব বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি।

পরের দিন শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে মাইটকুমড়া গ্রামের কচুরিপানায় পূর্ণ একটি পুকুরে তার মরদেহের খোঁজ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায়। হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত শুরু করে লোহাগড়া পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে সনাক্ত করে পুলিশ।

এরপর গতকাল রবিবার বিকালে তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে মৃত সোয়েবুরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ লুকিয়ে রাখতে গামছা গলায় পেঁচিয়ে পাশের পুকুরে টেনে নিয়ে যান সবুজ। পরে পুকুরের কচুরিপনার মধ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখেন। নিহতের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটি নিয়ে ওই রাতেই সটকে পড়েন অভিযুক্ত।

হত্যার কাজে ব্যবহৃত গামছাটি কালনা মধুমতি নদীর ঘাটে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে পানিতে ফেলে দেন।
লোহাগড়া থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জনান, সোয়েব হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে গতকাল রবিবার রাতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার সবুজকে আদালতে হাজির করা হবে।

অভিযুক্ত সবুজ পুলিশকে বলেন, ‘সোয়েবের সঙ্গে আমার শত্রুতা ছিল না। একটা মেয়েকে বস্ত্রহীন অবস্থায় দেখছিলাম, সে সময় সে আমাকে দেখে ফেলে। আমি তার কাছে মাফও চাইছিলাম। এটাও বলছিলাম কাউকে বইলেন না, আমি আর জীবনে এমন অপরাধ করব না।

কিন্তু সে বলছিল গ্রামের লোকজনকে ডাকবে। সে কারণে তাকে গলা টিপে (শ্বাসরোধে) হত্যা করি। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে টেনে পুকুরের কচুরিপানার মধ্যে নিয়ে ঢেকে রাখি।’

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।

নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্বামীর মৃত্যুর পর এই সবুজ বৃষ্টির মধ্যে নিজে কবর খুঁড়ছে, লাশ মাটি দিছে। ভাবতেও পারছিনা সে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে মারছে। সে আমাকে যে বিধবা করছে, আমার সন্তানদের এতিম করেছে। সবুজ ছাড়া যদি আরো কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, আমি চাই তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর