শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

বাউফলে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ব্যবসায়ী উধাও!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ জুলাই ২০২৫, ১৪:২০

বাউফলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে শামিম খান নামের এক ব্যবসায়ী উধাও হয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত চার দিন ধরে তিনি উধাও রয়েছেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীরা জড়ো হলেও তার প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন তারা।

শামিম পৌর শহরের বকুলতলা সড়কের নীল খানের ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌর শহরের ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা কলেজের সামনে আনছার মিয়ার বাসার নিচে স্টল ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন শামিম।

এরপর থেকে সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ শুরু করেন। সুদের বিনিময়ে ব্যাংকে টাকা জমা না রেখে হালাল পদ্ধতিতে তার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

শামিমের অভিনব ফাঁদে পা দিয়ে কেউ ১৫ লাখ, কেউ ১০ লাখ, আবার অনেকে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে কয়েকজনকে গ্যারান্টার করে মোটা অঙ্কের ঋণ নেন শামিম। এভাবে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে যান। প্রতারণার শিকার গৃহবধূ নাঈমা বলেন, আমার কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা নিয়েছেন শামিম।

আসাদ তালুকদার বলেন, আমার বোন ও ভাগ্নির কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা, প্রভাষক ফাতিমা বেগমের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা, আনসার মিয়ার মেয়ে তমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং আনসার মিয়ার ছেলে রিজনকে গ্যারান্টার করে ব্র্যাক থেকে ৬ লাখ টাকা ঋণ তুলে নেন শামিম।

এক ভুক্তভোগী বলেন, শামিম মাত্র ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ৫-৬ বছর আগে ব্যবসা শুরু করেন। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে রাতারাতি বদলে যান তিনি। পাওনা টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হলে তিনি গা ঢাকা দেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ব্যবসায়ী শামিম খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে বাউফল থানার ওসি আক্তারুজ্জামান সরকার বলেন, এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর