শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

বাউফলে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ব্যবসায়ী উধাও!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩১ জুলাই ২০২৫, ১৪:২০

বাউফলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে শামিম খান নামের এক ব্যবসায়ী উধাও হয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত চার দিন ধরে তিনি উধাও রয়েছেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীরা জড়ো হলেও তার প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন তারা।

শামিম পৌর শহরের বকুলতলা সড়কের নীল খানের ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌর শহরের ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা কলেজের সামনে আনছার মিয়ার বাসার নিচে স্টল ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন শামিম।

এরপর থেকে সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ শুরু করেন। সুদের বিনিময়ে ব্যাংকে টাকা জমা না রেখে হালাল পদ্ধতিতে তার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

শামিমের অভিনব ফাঁদে পা দিয়ে কেউ ১৫ লাখ, কেউ ১০ লাখ, আবার অনেকে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে কয়েকজনকে গ্যারান্টার করে মোটা অঙ্কের ঋণ নেন শামিম। এভাবে প্রায় ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে যান। প্রতারণার শিকার গৃহবধূ নাঈমা বলেন, আমার কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা নিয়েছেন শামিম।

আসাদ তালুকদার বলেন, আমার বোন ও ভাগ্নির কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা, প্রভাষক ফাতিমা বেগমের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা, আনসার মিয়ার মেয়ে তমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং আনসার মিয়ার ছেলে রিজনকে গ্যারান্টার করে ব্র্যাক থেকে ৬ লাখ টাকা ঋণ তুলে নেন শামিম।

এক ভুক্তভোগী বলেন, শামিম মাত্র ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ৫-৬ বছর আগে ব্যবসা শুরু করেন। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে রাতারাতি বদলে যান তিনি। পাওনা টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হলে তিনি গা ঢাকা দেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ব্যবসায়ী শামিম খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে বাউফল থানার ওসি আক্তারুজ্জামান সরকার বলেন, এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর