শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

‘আমি আর পাশ করব না’, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল লেখা শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ জুলাই ২০২৫, ১৩:৪৫

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চলমান এইচএসসি পরীক্ষার খাতায় রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল লিখে হতাশায় কিটনাশক পানে তনু চন্দ্র দাস (১৮) নামে এক পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে রাত ৯টার দিকে তিনি কিটনাশক পান করেছেন বলে জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

নিহত উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শায়েস্তাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক ক্ষিতিস চন্দ্র দাসের একমাত্র মেয়ে।

তিনি তজুমদ্দিন মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
তনুর মা উজ্জলা রাণী জানান, গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) তনুর জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষে বাসায় এসেই সে অস্থির হয়ে পড়ে। তার মা অস্থিরতার কথা জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, পরীক্ষার খাতায় রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল লিখেছেন।

এ সময় সে বার বার বলছিল ‘আমি আর পাশ করব না’। পরে তাকে পরিবারের লোকজন শান্তনা দেন। এ সময় সে কিছুটা স্বাভাবিক হয়। কিন্তু রাত ৯টার দিকে তার রুম থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে রুমে গিয়ে দেখেন পানের বরজে দেওয়ার জন্য ঘরে এনে রাখা কিটনাশক খেয়ে সে ছটফট করছে।

পরে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. জুনায়েদ হোসেন বলেন, ‘ওই তরুণীকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। কিটনাশকের বিষক্রিয়ায় তিনি মারা যান।

’তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মহব্বত খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিহত পরীক্ষার্থীর মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর