বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

নেত্রকোনায় ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ জুলাই ২০২৫, ১৫:৪৭

নেত্রকোনায় লিপি আক্তার হত্যার মামলায় তার দেবরকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আরো ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. রাসেল মিয়া (২৮)। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি রাসেল মিয়ার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী লিপি আক্তারের একই বাড়িতে পাশাপাশি ঘরে বসবাস করতেন। নিহত লিপি আক্তারের স্বামী মো. আজিজুল ইসলাম বিজিবিতে চাকরি করার সুবাদে পঞ্চগড়ে বসবাস করেন। লিপি আক্তারের স্বামী বাড়িতে না থাকার সুবাদে আসামি রাসেল মিয়া প্রায়ই লিপি আক্তারকে প্রেম নিবেদন করে কুপ্রস্তাব দিতো। এক পর্যায়ে লিপি আক্তার তার স্বামীকে ঘটনাটি জানায়।

এরই জের ধরে আসামি রাসেল মিয়া ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর রাতে বসত ঘরে ঢুকে মিয়া লিপি আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার পর দিন নিহতের বোন ফেরদৌসী বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে আসামি নিজে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল হাশেম এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর