শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

নেত্রকোনায় ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ জুলাই ২০২৫, ১৫:৪৭

নেত্রকোনায় লিপি আক্তার হত্যার মামলায় তার দেবরকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আরো ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. রাসেল মিয়া (২৮)। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি রাসেল মিয়ার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী লিপি আক্তারের একই বাড়িতে পাশাপাশি ঘরে বসবাস করতেন। নিহত লিপি আক্তারের স্বামী মো. আজিজুল ইসলাম বিজিবিতে চাকরি করার সুবাদে পঞ্চগড়ে বসবাস করেন। লিপি আক্তারের স্বামী বাড়িতে না থাকার সুবাদে আসামি রাসেল মিয়া প্রায়ই লিপি আক্তারকে প্রেম নিবেদন করে কুপ্রস্তাব দিতো। এক পর্যায়ে লিপি আক্তার তার স্বামীকে ঘটনাটি জানায়।

এরই জের ধরে আসামি রাসেল মিয়া ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর রাতে বসত ঘরে ঢুকে মিয়া লিপি আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার পর দিন নিহতের বোন ফেরদৌসী বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে আসামি নিজে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল হাশেম এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর