শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

হুমায়রার মৃত্যু ঘিরে নতুন রহস্য

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ জুলাই ২০২৫, ১৩:৫৭

পাকিস্তানি জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল হুমায়রা আসগরের রহস্যময় মৃত্যু ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। সম্প্রতি তার ঘনিষ্ঠ স্টাইলিস্ট ড্যানিশ মকসুদ যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে তদন্তে নতুন মোড় এসেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম।

ড্যানিশ দাবি করেছেন, হুমায়রা নিখোঁজ হওয়ার পরও তার মোবাইল ফোনে অস্বাভাবিক ডিজিটাল কার্যকলাপ দেখা গেছে। তিনি জানান, সর্বশেষ তাদের মধ্যে কথা হয় ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর।

কিন্তু তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে ‘লাস্ট সিন’ দেখা যায় ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করছেন ড্যানিশ, কারণ ফোনটি হয়তো তখনো সক্রিয় ছিল অথবা অন্য কেউ সেটি ব্যবহার করছিল।

হুমায়রার কোনো খোঁজ না পেয়ে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন নিখোঁজ সংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে। এর ঠিক পরদিন, ৬ ফেব্রুয়ারি, তিনি লক্ষ্য করেন— হুমায়রার হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং ‘লাস্ট সিন’ অপশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ড্যানিশ মনে করছেন, এটি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আড়াল করার চেষ্টা হতে পারে এবং হুমায়রার ফোনে প্রবেশাধিকার ছিল এমন কেউ হয়তো এই কাজ করেছে।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি স্ক্রিনশটসহ যাবতীয় ডিজিটাল প্রমাণ ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। করাচির ডিআইজি (দক্ষিণ) আসাদ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়েও নজর দেওয়া হচ্ছে।

তদন্তকারীরা এখন ফোন রেকর্ড, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য ও অন্যান্য ডিজিটাল ক্লু বিশ্লেষণ করে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করছেন।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর