বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

যক্ষ্মা শুধু ফুসফুস নয়, আক্রান্ত করতে পারে দেহের যেকোনো অঙ্গ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ জুলাই ২০২৫, ১৩:৪৬

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যক্ষ্মার জীবাণু শুধু ফুসফুসে নয়, মস্তিষ্ক, ত্বক, অন্ত্র, লিভার, কিডনি, হাড়সহ শরীরের যেকোনো অংশে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এমডিআরটি (মাল্টি ড্রাগ রেজিসটেন্স টিউবারকুলোসিস) বিশেষজ্ঞ ডা. মাহমুদুল হাসান খান বলেন, ফুসফুসে যক্ষ্মা বেশি দেখা যায় বলে অনেকে মনে করেন যক্ষ্মা মানেই কেবল ফুসফুসের রোগ। আসলে তা নয়। তিনি জানান, যক্ষ্মার জীবাণু (মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকুলোসিস) বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং দেহের যেকোনো অঙ্গ আক্রান্ত করতে পারে।

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ডায়াবেটিক রোগীরা, অপুষ্টিতে ভোগা বা মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা, দূষণ ও দরিদ্রতাও ঝুঁকি বাড়ায় শরীরে যক্ষ্মার জীবাণু থাকা মানেই রোগ হবে না। কিন্তু ওই ব্যক্তি অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

শরীরের অন্য অংশে যক্ষ্মার লক্ষণ

১। আক্রান্ত অংশ ফুলে ওঠে (যেমন: গলা, পেট বা মেরুদণ্ড)

২। ফোলাটি সেমি-সলিড হয়, ব্যথা থাকতে পারে
৩। লিভারে সংক্রমণ হলে পেটে পানি জমে

৪। মস্তিষ্কে হলে মাথায় পানি জমে যায়

৫। ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যাওয়া, হালকা জ্বর, বেশি ঘাম হওয়া

এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

চিকিৎসা ও করণীয়

যক্ষ্মা হলে ৬-৯ মাস পর্যন্ত নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। লক্ষণ কমে গেলেও ওষুধ না ছেড়ে পুরো কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। না করলে যক্ষ্মা আবার হতে পারে এবং আগের ওষুধে কাজ নাও করতে পারে। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।

ছোঁয়াচে কতটা?
ফুসফুসের যক্ষ্মা সবচেয়ে ছোঁয়াচে— হাঁচি, কাশি, কথা বলার মাধ্যমেও ছড়ায়।

শরীরের অন্য অঙ্গের যক্ষ্মা সাধারণত এতটা ছোঁয়াচে নয়। তবে আক্রান্ত জায়গা অন্যের কাটা অংশে লাগলে ছড়াতে পারে। চিকিৎসা শুরু হলে এক মাসের মধ্যেই জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা কমে যায়
যক্ষ্মা নির্ণয়ের পরীক্ষা

এমটি টেস্ট, স্পুটাম বা কফ পরীক্ষা, এক্স-রে / সিটি স্ক্যান, কালচার টেস্ট / জিন এক্সপার্ট, এফএনএসি। রোগের ধরণ অনুযায়ী শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়

হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা। যেখানে সেখানে থুতু-কফ না ফেলা। আক্রান্তের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া।

যক্ষ্মা এখন আর অজেয় নয়। সঠিক সময়ে শনাক্ত ও চিকিৎসা নিলে পুরোপুরি সেরে ওঠা সম্ভব। তাই সচেতনতা, পরীক্ষা ও নিয়মিত চিকিৎসাই যক্ষ্মা প্রতিরোধের চাবিকাঠি।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর