শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

রাজশাহী পৌঁছেছে নিহত পাইলটের মরদেহ, বিকেলে জানাজা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৫, ১৬:১০

ঢাকার উত্তরায় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত পাইলট তৌকির ইসলাম সাগরের মরদেহ রাজশাহী পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্টে এসে পৌঁছায় তার মরদেহবাহী হেলিকপ্টার। এরপর নেওয়া হয় উপশহর এলাকার তার বাসভবনে।

পাইলট সাগরের মেজো চাচা মতিউর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (২১ জুলাই) মৃত্যুর খবর শোনার পর তার পরিবারকে ঢাকায় নেওয়া হয়।মঙ্গলবার সেখানে প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে রাজশাহীতে আনা হয়। এরপর সেখান থেকে একটি মরদেহবাহী গাড়িতে করে উপশহরের বাড়িতে আনা হয়।

তিনি আরো বলেন, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় তার জানাজা হবে। এরপর রাজশাহীর সপুরা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

ঢাকায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত স্কোয়াড্রন লিডার তৌকির ইসলাম ওরফে সাগরের দাফনের প্রস্তুতি চলছে রাজশাহীতে। নগরীর সপুরা গোরস্তানে মঙ্গলবার সকালে কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে।

স্বজনরা জানান, জানাজার জন্য মরদেহ নেওয়া হবে জেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে। জানাজা হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়।

সাগরের বাবা তহুরুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। তবে প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি রাজশাহী শহরে বসবাস করেন। বর্তমানে নগরের উপশহরের ৩ নম্বর সেক্টরের ২২৩ নম্বর বাড়িটিতে ভাড়া থাকেন তারা। সোমবার বিমান বিধ্বস্তের পর থেকেই ‘আশ্রয়’ নামের বাড়িটির সামনে প্রতিবেশী, স্বজন ও উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন।

সোমবার বিকেলে বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি হেলিকপ্টারে তৌকিরের বাবা তহুরুল ইসলাম, মা সালেহা খাতুন, মামা মোহাম্মদ আলী, ছোট বোন সৃষ্টি খাতুন ও তার স্বামী ডা. তুহিন ইসলামকে ঢাকায় নেওয়া হয়। মরদেহের সঙ্গেই তারা রাজশাহী ফেরেন।

তার স্ত্রী ঢাকায় সরকারি কোয়ার্টারে বসবাস করেন। তিনিও এসেছেন রাজশাহীতে। বছরখানেক আগেই বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক।

তৌকির রাজশাহীর নিউ গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে পাবনা ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। তিনি ওই কলেজের ৩৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। ২০১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর