বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

পাকিস্তানে বৃষ্টিপাত ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ২২১, পাহাড়ি অঞ্চলে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৫, ১৫:৪৮

পাকিস্তানে মৌসুমি বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২১ জনে। মঙ্গলবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) জানিয়েছে, নতুন করে বৃষ্টিপাত হওয়ার ফলে পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিজনিত ঘটনায় দুইজন পুরুষ ও তিনজন শিশুসহ অরো পাঁচজন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

এনডিএমএর তথ্য মতে, চলতি মৌসুমি বৃষ্টিপাতে এখন পর্যন্ত মোট ৫৯২ জন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭৭ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী এবং ১০৪ জন শিশু।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ, যেখানে ১৩৫ জন মারা গেছে এবং ৪৭০ জন আহত হয়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়ায় মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের এবং আহত হয়েছে ৬৯ জন। সিন্ধে প্রাণ হারিয়েছে ২২ জন, আহত ৪০। বেলুচিস্তানে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আজাদ কাশ্মীরে একজন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছে। গিলগিট-বালতিস্তানে তিনজন আহত হয়েছে এবং ইসলামাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএর রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকাংশ প্রাণহানি ঘটেছে ভবনধস, ডুবে যাওয়া, ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা, বজ্রপাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কারণে। মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮০৪টি বাড়ি আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং ২০০ গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ বাবুসর এলাকায় বন্যাজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। টানা বৃষ্টিপাতে বাবুসর টপ এলাকায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। অন্তত ১৪ থেকে ১৫টি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং সেখানে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে চিলাস শহরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সারা দেশে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে আরো বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সব নাগরিককে বিশেষ করে বন্যাপ্রবণ ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ুর স্বাভাবিক অংশ হিসেবে প্রতিবছর মৌসুমি বৃষ্টি ফসল চাষ ও পানির উৎস পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু নগরায়ণের দ্রুত প্রসার, নাজুক নিষ্কাশনব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম আবহাওয়ার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে।

পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগ (পিএসডি) মঙ্গলবার এক পূর্বাভাসে জানায়, কাশ্মীর, খাইবার পাখতুনখোয়া, ইসলামাবাদ, পাঞ্জাব ও গিলগিট-বালতিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত, দমকা হাওয়া ও বজ্রপাত হতে পারে। দেশটির কিছু এলাকায় গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করলেও অনেক এলাকায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর