বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

আমি আর এদেশে থাকব না— একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবার বিলাপ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৫, ১৩:৪১

আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট— এটুকু বলেই ডুকরে কেঁদে ওঠলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষকের একমাত্র ছেলে সায়ান বিধ্বস্ত বিমানের আগুনে পুড়ে পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।

মোহাম্মদ ইউসুফ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ক্যাম্পাসে ক্লাস নেন।

আর ছেলে সায়ান দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। গতকাল বিকেলে খবর পান, ছেলে দগ্ধ হয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যালে ভর্তি, সেখান থেকে আনা হয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিউতে। সায়ানের শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। রাত ৩টা ৫০ মিনিটে মারা যান সায়ান।

রাত গড়িয়ে সকাল হয়, কিন্তু বাবার কান্না থামেনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘এটা কোনো দেশ হলো বলেন। লোকালয়ের ওপর দিয়ে কেন একটি ট্রেনিং বিমান চলবে? বলেন। এ দেশে কোনো মানুষের নিরাপত্তা নেই।

এ কারণে আমি আর এ দেশে থাকব না। আমার পুরো ফ্যামিলি এ দেশ থেকে চলে যাব।’ ছেলের স্মৃতিচারণ করে ফের কেঁদে ওঠেন এই বাবা। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট।

... এদেশের পলিটিশিয়ানরা এদেশটাকে পলিউট করে ফেলছে। আমরা থাকব না এই দেশে।’
স্বজনরা জানান, এই শিক্ষক দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছিল সায়ান। ছোট মেয়েও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত, তবে সে নিরাপদে রয়েছে।

আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট— এটুকু বলেই ডুকরে কেঁদে ওঠলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষকের একমাত্র ছেলে সায়ান বিধ্বস্ত বিমানের আগুনে পুড়ে পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। মোহাম্মদ ইউসুফ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ক্যাম্পাসে ক্লাস নেন।

আর ছেলে সায়ান দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। গতকাল বিকেলে খবর পান, ছেলে দগ্ধ হয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যালে ভর্তি, সেখান থেকে আনা হয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিউতে। সায়ানের শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। রাত ৩টা ৫০ মিনিটে মারা যান সায়ান।

রাত গড়িয়ে সকাল হয়, কিন্তু বাবার কান্না থামেনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘এটা কোনো দেশ হলো বলেন। লোকালয়ের ওপর দিয়ে কেন একটি ট্রেনিং বিমান চলবে? বলেন। এ দেশে কোনো মানুষের নিরাপত্তা নেই। এ কারণে আমি আর এ দেশে থাকব না। আমার পুরো ফ্যামিলি এ দেশ থেকে চলে যাব।’

ছেলের স্মৃতিচারণ করে ফের কেঁদে ওঠেন এই বাবা। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট।

... এদেশের পলিটিশিয়ানরা এদেশটাকে পলিউট করে ফেলছে। আমরা থাকব না এই দেশে।’
স্বজনরা জানান, এই শিক্ষক দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছিল সায়ান। ছোট মেয়েও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত, তবে সে নিরাপদে রয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর