শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

আমি আর এদেশে থাকব না— একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবার বিলাপ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৫, ১৩:৪১

আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট— এটুকু বলেই ডুকরে কেঁদে ওঠলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষকের একমাত্র ছেলে সায়ান বিধ্বস্ত বিমানের আগুনে পুড়ে পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।

মোহাম্মদ ইউসুফ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ক্যাম্পাসে ক্লাস নেন।

আর ছেলে সায়ান দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। গতকাল বিকেলে খবর পান, ছেলে দগ্ধ হয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যালে ভর্তি, সেখান থেকে আনা হয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিউতে। সায়ানের শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। রাত ৩টা ৫০ মিনিটে মারা যান সায়ান।

রাত গড়িয়ে সকাল হয়, কিন্তু বাবার কান্না থামেনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘এটা কোনো দেশ হলো বলেন। লোকালয়ের ওপর দিয়ে কেন একটি ট্রেনিং বিমান চলবে? বলেন। এ দেশে কোনো মানুষের নিরাপত্তা নেই।

এ কারণে আমি আর এ দেশে থাকব না। আমার পুরো ফ্যামিলি এ দেশ থেকে চলে যাব।’ ছেলের স্মৃতিচারণ করে ফের কেঁদে ওঠেন এই বাবা। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট।

... এদেশের পলিটিশিয়ানরা এদেশটাকে পলিউট করে ফেলছে। আমরা থাকব না এই দেশে।’
স্বজনরা জানান, এই শিক্ষক দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছিল সায়ান। ছোট মেয়েও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত, তবে সে নিরাপদে রয়েছে।

আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট— এটুকু বলেই ডুকরে কেঁদে ওঠলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষকের একমাত্র ছেলে সায়ান বিধ্বস্ত বিমানের আগুনে পুড়ে পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। মোহাম্মদ ইউসুফ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ক্যাম্পাসে ক্লাস নেন।

আর ছেলে সায়ান দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। গতকাল বিকেলে খবর পান, ছেলে দগ্ধ হয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যালে ভর্তি, সেখান থেকে আনা হয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিউতে। সায়ানের শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। রাত ৩টা ৫০ মিনিটে মারা যান সায়ান।

রাত গড়িয়ে সকাল হয়, কিন্তু বাবার কান্না থামেনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘এটা কোনো দেশ হলো বলেন। লোকালয়ের ওপর দিয়ে কেন একটি ট্রেনিং বিমান চলবে? বলেন। এ দেশে কোনো মানুষের নিরাপত্তা নেই। এ কারণে আমি আর এ দেশে থাকব না। আমার পুরো ফ্যামিলি এ দেশ থেকে চলে যাব।’

ছেলের স্মৃতিচারণ করে ফের কেঁদে ওঠেন এই বাবা। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পুরো কলেজে ফার্স্ট হয়। আমার ছেলে সবচেয়ে স্মার্ট।

... এদেশের পলিটিশিয়ানরা এদেশটাকে পলিউট করে ফেলছে। আমরা থাকব না এই দেশে।’
স্বজনরা জানান, এই শিক্ষক দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছিল সায়ান। ছোট মেয়েও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত, তবে সে নিরাপদে রয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর