বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

৩,২০০ কোটি রুপি মদ কেলেঙ্কারিতে ভারতীয় এমপি বিচারিক হেফাজতে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুলাই ২০২৫, ১৪:০৮

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে বহুল আলোচিত ৩,২০০ কোটি রুপির মদ কেলেঙ্কারির মামলায় ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির (যুব শ্রমিক কৃষক কংগ্রেস পার্টি) সংসদ সদস্য পি ভি মিধুন রেড্ডিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি)। রবিবার তাকে দেশটির দুর্নীতি দমন আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শনিবার রাতে প্রায় সাত ঘণ্টার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মিধুন রেড্ডিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিবার সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এসআইটির তদন্ত প্রতিবেদনে মিধুন রেড্ডিকে চতুর্থ আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৩৮৪, ২০১, ১২০ (বি) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে।

২৮ পৃষ্ঠার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, এই কেলেঙ্কারির প্রধান পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী ছিলেন এমপি মিধুন রেড্ডি। এসআইটির দাবি, তিনি সরকারি নীতিতে পরিবর্তন এনে বিশেষ কিছু ব্র্যান্ড ও ডিস্টিলারিকে অতিরিক্ত সুবিধা দিয়েছেন এবং এর বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ কমিশন গ্রহণ করেছেন।

বিশেষ করে, অন্ধ্র প্রদেশ বেভারেজ করপোরেশনের (APBCL) এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ERP) পদ্ধতি বাতিল করে ইমেইলভিত্তিক 'অর্ডার ফর সাপ্লাই' (সরবরাহ আদেশ) পদ্ধতি চালু করেন, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যবসায়ীদের পক্ষে স্বজনপোষণ সহজ হয়। এর মধ্য দিয়ে চক্রটি সরকারি মদ দোকান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কমিশন আদায়ের পথ সুগম করে।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, মিধুন রেড্ডি এপিবিসিএল-এর বিশেষ কর্মকর্তা হিসেবে ডি সত্য প্রসাদকে নিয়োগে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। এই কর্মকর্তা নিজের ইচ্ছামতো ব্র্যান্ড বাছাই, সরবরাহকারী বাতিল এবং 'অর্ডার ফর সাপ্লাই' পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে দুর্নীতিতে অংশ নেন।

২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর রাজ্যসভার সাবেক সদস্য ভি বিজয় সাই রেড্ডির বাসায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই চক্রের মূল সদস্যরা অংশ নেন। সেখানে তিন বছরের মদ বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত হয়, প্রতি মাসে ৫০-৬০ কোটি রুপি কমিশন আয়ের সুযোগ রয়েছে। এরপরই সরকারি মদ দোকান চালু, কমিশন আদায়ে তরুণদের নিয়ে বেসরকারি নেটওয়ার্ক গঠন এবং হাওলা ও শেল কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ পাচারের পরিকল্পনা নেয় তারা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর