বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু ২০০ ছাড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুলাই ২০২৫, ১২:৫১

পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বন্যায় ২০২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে শুরু হওয়া বর্ষা মৌসুমে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯৬ জন শিশু রয়েছে। গত শনিবার পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঞ্জাব প্রদেশের ১২৩ জন। খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ৪০ জন, সিন্ধু প্রদেশে ২১ জন, বেলুচিস্তানে ১৬ জন এবং ইসলামাবাদ ও আজাদ-কাশ্মীর অঞ্চলে একজন করে মারা গেছে।

এদের বেশির ভাগই প্রাণ হারিয়েছে বাড়ি বা ভূমিধসের কারণে। এর মধ্যে অন্তত ১১৮ জন নিহত হয়েছে বাড়িধসে এবং ৩০ জন আকস্মিক বন্যায়। অন্যরা ডুবে যাওয়া, বজ্রপাত, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এবং ভূমিধসের কারণে মারা গেছে।

প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ১৮২ জন শিশুসহ ৫৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
রাওয়ালপিন্ডিতে আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বাজার ভেসে গেছে। ধামিয়াল, হাতিচক ও মর্গাহ এলাকা পুরো তলিয়ে গেছে। টেঞ্চ ভাটা ও ফৌজি কলোনিতে পানির স্তর বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করেছে।

কিছু এলাকায় পানি ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় বাসিন্দারা বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। ফয়সালাবাদে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, গত দুদিনে ১১ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়েছে সেখানে। দুর্বল অবকাঠামোগুলো ধসে পড়ার কারণেই বেশির ভাগ প্রাণহানি ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার জানিয়েছে, তাদের বাড়িঘর মেরামতের সামর্থ্য নেই।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার ও মেরামত কাজ চলছে। ঝিলাম, পিণ্ড দাদন খান, কাল্লার কাহার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বন্ধ রাস্তাগুলো চালু করতে কাজ চলছে। রাওয়ালপিন্ডির কারোলি ধোক ব্রিজ এলাকায় বৃষ্টিতে রাস্তাধসের কারণে তৈরি ফাটল মেরামত করা হয়েছে। সেখানে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর