বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

তিব্বত-ভারতে প্রবাহিত নদীতে বাঁধ নির্মাণ শুরু চীনের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুলাই ২০২৫, ১৮:০৪

তিব্বত ও ভারত হয়ে প্রবাহিত নদীর ওপর চীন শনিবার একটি বৃহৎ বাঁধ নির্মাণ শুরু করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

বেইজিং গত ডিসেম্বরে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয়, যেটি তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো ও ভারতে ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত নদীর ওপর নির্মিত হচ্ছে।

প্রকল্পটিকে চীনের কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্য ও তিব্বত অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তিব্বতের নিয়িংচিতে অনুষ্ঠিত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বলেছে, ‘উৎপাদিত বিদ্যুৎ মূলত অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে, পাশাপাশি তিব্বতের স্থানীয় বিদ্যুতের চাহিদাও মেটানো হবে।’

বাঁধটি নির্মিত হলে এটি চীনের মধ্যাঞ্চলে ইয়াংজি নদীর ওপর অবস্থিত রেকর্ডধারী থ্রি গর্জেস বাঁধকেও ছাপিয়ে যেতে পারে এবং ভারত ও বাংলাদেশে নদীর নিম্নপ্রবাহে থাকা কোটি মানুষের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

সিনহুয়া জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্টেশন নির্মাণ করা হবে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১.২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান (১৬৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

চীন এই প্রকল্পের ব্যাপারে জানুয়ারিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারত। সে সময় নয়াদিল্লি বলেছিল, ‘আমরা প্রকল্পটি নজরদারিতে রাখছি এবং আমাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা চীনকে অনুরোধ করেছে, যেন ব্রহ্মপুত্র নদীর উজানে কার্যক্রম চালানোর সময় নদীর নিম্নপ্রবাহে থাকা দেশগুলোর স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ডিসেম্বরে বলেছিল, এই প্রকল্পের কোনো ‘নেতিবাচক প্রভাব’ নিম্নপ্রবাহে পড়বে না।

নদীর নিম্নপ্রবাহে থাকা দেশগুলোর সঙ্গে চীন যোগাযোগ রক্ষা করবে বলেও জানিয়েছিল তারা।
নিম্নপ্রবাহে প্রভাব ছাড়াও পরিবেশবিদরা এই ধরনের বৃহৎ প্রকল্পের কারণে পরিবেশসংবেদনশীল তিব্বতি মালভূমিতে অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ভারত ও চীন—উভয়ই প্রতিবেশী ও প্রতিদ্বন্দ্বী এশীয় শক্তি। তাদের মধ্যে হাজার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বিতর্কিত সীমান্ত এবং দুই পক্ষেই বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েন রয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর